হুগলির বিভিন্ন এলাকায় পড়েছে পোস্টার। নিজস্ব ছবি।
হুগলির বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়া INDIA জোটের পোস্টারে কোনও প্রেরকের নাম নেই। সেই কারণে জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, রাতের অন্ধকারে তৃণমূল, কংগ্রেস ও সিপিএম নেতৃত্বের ছবি দেওয়া এই ব্যানার টাঙানো হয়েছে। শনিবার সকালে তা স্থানীয় বাসিন্দাদের চোখে পড়ে। হুগলি জেলার চাঁপদানি, ভদ্রেশ্বর, পোলবা, সিঙ্গুরসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় একই ধরনের এই পোস্টার চোখে পড়েছে।
ধূপগুড়ি বিধানসভা উপনির্বানে তৃণমূলের কাছে নিজেদের জেতা আসন হারানোর পর সিপিএম নিশানা করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে তৃণমূলের সঙ্গে সিপিএম ও কংগ্রেস যোগ দেওয়া নিয়ে ‘দিল্লিতে দোস্তি, বাংলায় কুস্তি’-র অভিযোগ তুলেছিল BJP। অন্যদিকে দিল্লিতে সমঝোতা হলেও বাংলায় তৃণমূল বিরোধিতা চলবে বলে পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে রাজ্যের কংগ্রেস ও সিপিএম নেতৃত্ব। সেখানে রাজ্যের বাম-কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে একই ব্যানারে মমতা-অভিষেকের ছাপিয়ে বিতর্ক তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
হুগলি জেলা তৃণমূলের সভাপতি অরিন্দম গুইন এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘এটা আমাদের জানা নেই। তবে ইন্ডিয়া জোট শক্তিশালী হোক, ইন্ডিয়া জোট আসুক এটা আমরা সবাই চাই। বিজেপি নামের এই সাম্প্রদায়িক দলকে পরাজিত করতে হবে। তবে পোস্টার ব্যানার কারা লাগাচ্ছে তা আমাদের জানা নেই। বাংলার মানুষ তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে রয়েছে এটা আমার জানি।’
অন্যদিকে হুগলির বিজেপি নেতা সুরেশ সাউ বলেন, ‘ইন্ডিয়া জোটের বেঙ্গালুরুর বৈঠকের পরই বাংলার মানুষ সবটা বুঝে গিয়েছিল। দিল্লিতে ও বাংলায় এদের আলাদা আলাদা মুখোশ। দলের নেতানেত্রীরাই এই ধরনের পোস্টার লাগিয়েছে। এই জোটের বিরোধিতা মানুষ বিজেপির হাত শক্তিশালী করবে।’ অন্যদিকে সিপিএমের জেলা সম্পাদককে এ বিষয়ে ফোন করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।
