এছাড়াও এই দিনই হাওড়ার লিলুয়া থানা অন্তর্গত চকপাড়া এলাকায় হানা দেয় ইডি। তবে হাওড়ার দুই জায়গার তল্লাশি একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত কিনা, তা এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট নয়।
এদিকে বেলঘরিয়া দেশপ্রিয় নগরে ৪৯ জাগ্রত পল্লির একটি আবাসনে তল্লাশি চালায় ইডি। জানা গিয়েছে, সংশ্লিষ্ট আবাসনের বাসিন্দা রমেশ প্রসাদের ফ্ল্যাটে চালানো হয়েছে তল্লাশি। তিনি একটি বিদেশি কোম্পানিতে কর্মরত। তাঁর ফ্ল্যাটে কেন হঠাৎ এই তল্লাশি? তা স্পষ্ট নয়।
রাজ্যে একই দিনে তিনটি জায়গায় ইডি তল্লাশির কারণ নিয়ে চর্চা চলছে। উল্লেখ্য, এর আগে একাধিকবার কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলিকে ‘রাজনৈতিক স্বার্থে’ ব্যবহার করার অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল সহ অন্যান্য বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। ইডি, সিবিআই, আয়কর দফতরগুলিকে কেন্দ্র রাজনৈতিক স্বার্থের জন্য ব্যবহার করছে এই দাবি করে ‘এজেন্সি রাজনীতি’-র অভিযোগ তুলেছিলেন বিরোধীরা।
এমনকী, বেশ কিছুজন বিরোধী নেতা এই প্রসঙ্গে নরেন্দ্র মোদীকে একটি চিঠিও লিখেছিলেন। এই চিঠিতে স্বাক্ষর ছিল দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরিবন্দ কেজরিওয়াল এবং বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়েরও। যদিও এই যাবতীয় অভিযোগ রীতিমতো উড়িয়ে দিয়েছিল বিজেপি। কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলি নিয়ম মোতাবেক কাজ করে এবং এজেন্সিগুলির উপর কোনওভাবে প্রভাব বিস্তার করা হয় না, সেই দাবি একাধিকবার করা হয়েছে বিজেপির তরফে। লোকসভা নির্বাচনের আগেও ‘এজেন্সি রাজনীতি’ নিয়ে বিতর্কে শুরু হয়েছিল চরম রাজনৈতিক টানাপোড়েন।
