সাত সকালে রাজ্যের একাধিক জায়গায় ইডি হানা। বৃহস্পতিবার উত্তর হাওড়ার সালকিয়া বাধাঘাট এলাকায় শ্রীরাম ঠ্যাং রোডের একটি আবাসনে তল্লাশি চালায় ইডি। এছাড়াও হাওড়ার লিলুয়া থানার অন্তর্গত চকপাড়া এলাকা এবং বেলঘরিয়ার দেশপ্রিয় নগরে ৪৯ জাগ্রত পল্লির একটি আবাসনে তল্লাশি চালিয়েছে এই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার গোয়েন্দারা। তবে কি কারণে এই তল্লাশি? বা একটির সঙ্গে অপর তল্লাশি সম্পর্কযুক্ত কিনা সেই প্রসঙ্গে নির্দিষ্ট কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।জানা গিয়েছে, এদিন সাতসকাল উত্তর হাওড়া সালকিয়া বাধাঘাট এলাকায় শ্রীরাম ঠ্যাং রোড একটি আবাসনে হানা দেয় ইডি। প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, মনোজ দুবে নামক এক ব্যক্তির বাড়িতে যান তদন্তকারীরা। দিল্লির একটি প্রতারণা মামলার সঙ্গে এই তল্লাশি সম্পর্কযুক্ত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। মনোজ দুবে এবং তাঁর ভাই সংশ্লিষ্ট ঘটনায় গোয়েন্দাদের আতশ কাচের নীচে, জানা গিয়েছে এমনটাই।

এছাড়াও এই দিনই হাওড়ার লিলুয়া থানা অন্তর্গত চকপাড়া এলাকায় হানা দেয় ইডি। তবে হাওড়ার দুই জায়গার তল্লাশি একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত কিনা, তা এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট নয়।

এদিকে বেলঘরিয়া দেশপ্রিয় নগরে ৪৯ জাগ্রত পল্লির একটি আবাসনে তল্লাশি চালায় ইডি। জানা গিয়েছে, সংশ্লিষ্ট আবাসনের বাসিন্দা রমেশ প্রসাদের ফ্ল্যাটে চালানো হয়েছে তল্লাশি। তিনি একটি বিদেশি কোম্পানিতে কর্মরত। তাঁর ফ্ল্যাটে কেন হঠাৎ এই তল্লাশি? তা স্পষ্ট নয়।

রাজ্যে একই দিনে তিনটি জায়গায় ইডি তল্লাশির কারণ নিয়ে চর্চা চলছে। উল্লেখ্য, এর আগে একাধিকবার কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলিকে ‘রাজনৈতিক স্বার্থে’ ব্যবহার করার অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল সহ অন্যান্য বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। ইডি, সিবিআই, আয়কর দফতরগুলিকে কেন্দ্র রাজনৈতিক স্বার্থের জন্য ব্যবহার করছে এই দাবি করে ‘এজেন্সি রাজনীতি’-র অভিযোগ তুলেছিলেন বিরোধীরা।

এমনকী, বেশ কিছুজন বিরোধী নেতা এই প্রসঙ্গে নরেন্দ্র মোদীকে একটি চিঠিও লিখেছিলেন। এই চিঠিতে স্বাক্ষর ছিল দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরিবন্দ কেজরিওয়াল এবং বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়েরও। যদিও এই যাবতীয় অভিযোগ রীতিমতো উড়িয়ে দিয়েছিল বিজেপি। কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলি নিয়ম মোতাবেক কাজ করে এবং এজেন্সিগুলির উপর কোনওভাবে প্রভাব বিস্তার করা হয় না, সেই দাবি একাধিকবার করা হয়েছে বিজেপির তরফে। লোকসভা নির্বাচনের আগেও ‘এজেন্সি রাজনীতি’ নিয়ে বিতর্কে শুরু হয়েছিল চরম রাজনৈতিক টানাপোড়েন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version