Mobile Reel,পড়াশোনা ফেলে রিল তৈরির নেশা, মায়ের বকুনিতে চরম সিদ্ধান্ত স্কুল ছাত্রীর – student making mobile reel video commit suicide at bardhaman


ফেসবুকে রিল বানানোর শখ ছিল স্কুল ছাত্রীর। সেই নিয়ে বাড়িতে শুরু হয় অশান্তি। ছাত্রীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ঘর থেকে। মৃত ছাত্রীর নাম তিথি মেটে (১৭)। রিল নিয়ে অশান্তির জেরে ওই ছাত্রী আত্মঘাতী হয়েছে বলে দাবি পরিবারের। তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। ঘটনা বর্ধমান জেলার গলসি থানা এলাকায়।জানা গিয়েছে, মৃত ছাত্রীর গলসি থানার গলিগ্রাম এলাকায়। ছাত্রী সারদা বিদ্যাপীঠ হাইস্কুলে একাদশ শ্রেণিতে পড়াশোনা করত। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সকালে ঘরে তালের কাঁড়ির কাঠামোয় ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় তাঁকে ঝুলতে দেখেন পরিবারের লোকজন। তড়িঘড়ি ওড়না কেটে নামিয়ে আনা হয় তাঁকে। ঘটনার খবর পেয়ে ছুটে আসেন পাড়া প্রতিবেশীরাও।

সঙ্গে সঙ্গে ওই ছাত্রীকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করে। তিথির পরিবারের লোকেরা জানান, ফেসবুকে রিল বানানোর স্বভাব ছিল মেয়ের। সেই নিয়ে বাড়িতে কিছু অশান্তি হয়। সেই কারণেই মেয়ে আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছে বলে দাবি পরিবারের সদস্যের।

তিথির বাবা সন্ন্যাসী মেটে জানিয়েছেন, কী এমন বকুনি খেল যে তাঁকে আত্মহত্যা হতে করতে হল? প্রচন্ড রাগ ছিল মেয়ের। তবে এমন কাজ করবে তা আমরা ভাবতে পারিনি। তিনি জানান, প্রায় পড়াশোনার জন্য তিথিকে অনুরোধ করা হতো। তাঁদের দাবি, সে ইদানিং পড়াশুনায় অমনোযোগী হয়ে পড়েছিল। বেশিরভাগ সময় মোবাইলে ব্যস্ত থাকত। রিল তৈরি করা নিয়ে ঘটনার দিন ওর মা তাঁকে বকাঝকা করে। আর সেই অভিমানেই মেয়ে আত্মঘাতী হয়েছে বলে দাবি । তবে গলসি থানার পুলিশ একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে। এদিন বর্ধমান মেডিক্যালে তিথির দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

Mob Lynching At Bardhaman : ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনি, নাবালিকা সহ দু’জনকে মারধরের অভিযোগ বর্ধমানে
আধুনিক যুগে নেট মাধ্যমের হাত ধরে ঘরে বসেই নানা ভিডিয়ো, রিল বানানোর সুযোগ পাচ্ছেন ছেলেমেয়েরা। অনেক ক্ষেত্রেই পড়াশোনাকে ব্যাতি রেখে সেই কাজ করার নেশায় পড়ে যাচ্ছেন অনেকেই। সেই নিয়ে বাড়ির অভিভাবকদের সঙ্গে অশান্তি শুরু হচ্ছে পড়ুয়াদের। সেরকমই ঘটনা বর্ধমানের গলসিতে। তবে, বাড়ির বকুনির কারণে অভিমানে সেই ছাত্রী আত্মঘাতী হয়েছে, নাকি এর পেছনে অন্য কোনও কারণ আছে কিনা, সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *