সঙ্গে সঙ্গে ওই ছাত্রীকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করে। তিথির পরিবারের লোকেরা জানান, ফেসবুকে রিল বানানোর স্বভাব ছিল মেয়ের। সেই নিয়ে বাড়িতে কিছু অশান্তি হয়। সেই কারণেই মেয়ে আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছে বলে দাবি পরিবারের সদস্যের।
তিথির বাবা সন্ন্যাসী মেটে জানিয়েছেন, কী এমন বকুনি খেল যে তাঁকে আত্মহত্যা হতে করতে হল? প্রচন্ড রাগ ছিল মেয়ের। তবে এমন কাজ করবে তা আমরা ভাবতে পারিনি। তিনি জানান, প্রায় পড়াশোনার জন্য তিথিকে অনুরোধ করা হতো। তাঁদের দাবি, সে ইদানিং পড়াশুনায় অমনোযোগী হয়ে পড়েছিল। বেশিরভাগ সময় মোবাইলে ব্যস্ত থাকত। রিল তৈরি করা নিয়ে ঘটনার দিন ওর মা তাঁকে বকাঝকা করে। আর সেই অভিমানেই মেয়ে আত্মঘাতী হয়েছে বলে দাবি । তবে গলসি থানার পুলিশ একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে। এদিন বর্ধমান মেডিক্যালে তিথির দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
আধুনিক যুগে নেট মাধ্যমের হাত ধরে ঘরে বসেই নানা ভিডিয়ো, রিল বানানোর সুযোগ পাচ্ছেন ছেলেমেয়েরা। অনেক ক্ষেত্রেই পড়াশোনাকে ব্যাতি রেখে সেই কাজ করার নেশায় পড়ে যাচ্ছেন অনেকেই। সেই নিয়ে বাড়ির অভিভাবকদের সঙ্গে অশান্তি শুরু হচ্ছে পড়ুয়াদের। সেরকমই ঘটনা বর্ধমানের গলসিতে। তবে, বাড়ির বকুনির কারণে অভিমানে সেই ছাত্রী আত্মঘাতী হয়েছে, নাকি এর পেছনে অন্য কোনও কারণ আছে কিনা, সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।