Raiganj University : চপ শিল্পের গবেষণায় উৎসাহদাতা, বধূ নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেফতার রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই অধ্যাপক – raiganj university professor arrested for domestic violence
চপ শিল্প নিয়ে গবেষণা তাঁরই মস্তিষ্ক প্রসূত। রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর ছাত্রী কণা সরকারের চপ শিল্প নিয়ে গবেষণার কারণেই সংবাদের শিরোনামে এসেছিলেন। বধূ নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেফতার রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের (Raiganj University) সেই অধ্যাপক। অভিযুক্ত অধ্যাপকের নাম ডঃ তাপস পাল। রায়গঞ্জ (Raiganj) থেকে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। শুক্রবার অভিযুক্ত শিক্ষককে বালুরঘাট জেলা আদালতে (Balurghat District Court) পেশ করা হয়। বিয়ের পর থেকেই শারীরিক ও মানসিকভাবে অত্যাচার করার কারণে অভিযুক্ত শিক্ষকের স্ত্রী ময়ূরাক্ষী রায় মামলা দায়ের করেন। আদালত অভিযুক্ত শিক্ষককে পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভুগোল বিভাগের অধ্যাপক তাপস পালকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বধূ নির্যাতনের মামলায় বালুরঘাট থানার (Balurghat Police station) পুলিশ তাঁকে রায়গঞ্জ থেকে গ্রেফতার করেছে।

Pradhan Mantri Awas Yojana : আবাস যোজনার তালিকায় তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যের নাম, শোরগোল রায়গঞ্জে
তার বিরুদ্ধে ৪৯৮ ও ৩০৭ ধারায় মামলা রুজু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে পুলিশ সূত্রে। রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অধ্যাপক ইতিপূর্বে চপ শিল্প সহ একাধিক বিষয়ে গবেষণার কারণে খ্যাতি পান। গতকাল গভীর রাতে রায়গঞ্জ থেকে অধ্যাপককে গ্রেফতার করে পুলিশ। শুক্রবার ধৃত অধ্যাপককে বালুরঘাট জেলা আদালতে তুলে পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বালুরঘাট থানার পুলিশ। ধৃত অধ্যাপকের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্ত্রী ময়ূরাক্ষী রায়। এদিন ধৃত অধ্যাপককে বালুরঘাট জেলা আদালতে তোলা হয়। অভিযুক্তকে সাতদিনের রিমান্ড চাইলে বিচারক ৫ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয় বিচারক।

 

Islampur Shootout : ইসলামপুরের রাস্তায় প্রকাশ্যে শ্যুটআউট! গুলিবিদ্ধ ব্যবসায়ী
জানা গিয়েছে, তাপস পাল ও ময়ূরাক্ষী রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপনার কাজ করে। তাপস পাল ভূগোলের অধ্যাপক। ময়ূরাক্ষী আইনের অধ্যাপক। ২০১৯ সালে দেখাশুনা করেই বিয়ে হয় তাঁদের। অভিযোগ, বিয়ে ঠিক হওয়ার পর থেকেই ময়ূরাক্ষীর উপর নানাভাবে অত্যাচার চালাত তাপস পাল। বিয়ের পর সেই অত্যাচারের পরিমাণ বেড়ে যায়। ময়ূরাক্ষী বলেন, ” ও আমাকে বিয়ের পর থেকে মারধর করে। একবার বাইক থেকে ফেলে দিয়েছিল, আমাকে মারার উদ্দেশ্য ছিল। আমাকে মেরে ফেলে আমার বাবা-মায়ের সম্পত্তি নেওয়ার চক্রান্ত করেছিল। দীর্ঘদিন অত্যাচার সহ্য করার পর আমি পুলিশের দ্বারস্থ হই।” অভিযুক্ত ওই অধ্যাপক বলেন, ” আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা প্রমাণ করার জন্য আদালত রয়েছে। আইনের পথেই বিষয়টির নিষ্পত্তি হবে। ” গত বুধবার বালুরঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ময়ূরাক্ষী। সেই অভিযোগ পেয়েই পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে৷



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *