উল্লেখ্য, নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতির তদন্তে নেমে গত শনিবার সকালে চিনার পার্কের ফ্ল্যাট থেকে তৃণমূল যুব নেতা কুন্তল ঘোষকে গ্রেফতার করে ED। চাকরির নাম করে বহু মানুষের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। এদিকে গ্রেফতারির পর সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি। তবে তৃণমূল যুব নেতার গ্রেফতারিতে হাতে অস্ত্র পায় বিরোধীরা। মদন মিত্র নিজেও একসময় দলের যুব সংগঠনের দায়িত্বে ছিলেন। যুব নেতা গ্রেফতার হওয়ার প্রভাব কি জনসমর্থনে পড়বে ? মদন মিত্রের জবাব, “যুব, ছাত্র বলে আলাদা কিছু নয়। আমাদেরকে টার্গেট করা হয়েছে। ওঁকে যদি ধরা হয়ে থাকে, তাহলে নিশ্চয়ই প্রমাণ আছে। যাই করুক, এত জেল তৈরি করতে পারেনি, যেখানে তৃণমূল কর্মীদের জায়গা দিতে পারবে।”
সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচনে সম্মুখ সমর। নিজেদের ভিত শক্ত করছে বিরোধীরা। নির্বাচনে রঙিন নেতা মদন মিত্রের ভূমিকা কী থাকবে, নাকি প্রচার পর্ব থেকে তিনি কিছুটা দূরেই সরে থাকবেন। বিষয়টি নিয়ে দলের উপরেই আস্থা রেখেছেন কামারহাটির বিধায়ক বলেন, ” পঞ্চায়েত শুরুর আগে দেখা যাবে আমি একটা প্রধান দায়িত্বে এসে গেলাম। তাছাড়া আমি একটা দল করি। দলের মতাদর্শ মেনে চলি। ইতিমধ্যে দল আমায় নোয়াপাড়ায় সব থেকে কঠিন দুটি আসন, যেখানে দল হেরেছিল, সেখানে পাঠিয়েছিল।” তাঁর কথায়, দল পঞ্চায়েত নির্বাচনে আমায় জেলায় প্রচারে নাও পাঠাতে পারে, হতে পারে ‘ ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ এর দায়িত্ব দিতে পারে, সেটাও পালন করবেন বলে জানান তৃণমূল বিধায়ক।
