Valentine’s Day Gifts : অনলাইনের হাতছানিতে প্রেমিক খদ্দেরের অভাব, ‘মাছি তাড়াচ্ছেন’ উপহার বিক্রেতারা! – valentines day gifts shop customers not buying due to online shopping


Valentines’s Day 2023 : ভালোবাসার দিনে মনের মানুষের উষ্ণতার ছোঁয়ায় আসা উপহার তুলনাহীন। গিফটের দোকানে (Gifts Shop) তো লাইন পড়ে যাওয়ার কথা। তরুণ-তরুণীরা প্রিয় মানুষটির মনে ধরা জিনিসটি কিনতে ভিড় জমাবেন দোকানে। ক্রেতাদের মন যত ভরবে, বিক্রেতাদের পকেটও ভরবে ততো। কিন্তু চিত্রটা কেমন ফিকে লাগল শিলিগুড়ি (Siliguri) শহরের উপহার সামগ্রীর দোকানগুলিতে। গত কয়েক বছরের তুলনায় বেশ খানিকটা পড়তির দিকে বেচাকেনা, এমনটাই দাবি বিক্রেতাদের।

Valentines Day Week: শুকবে না প্রেমের পরশ! ‘বেবিপক্ষে’ হিট ব্যাঙ্গালোর গোলাপ
আজ ভালোবাসার দিন। একটা সময় এই দিনে শহরের দোকানগুলিতে বিভিন্ন গিফট, কার্ড কেনার জন্য লাইন পড়ে যেত। কিন্তু এখন উলটো ছবি শিলিগুড়ির গিফট শপগুলিতে। সকাল থেকে যেন মাছি মারা অবস্থা গিফট শপগুলিতে (Gift Shop)। ভিড়ের আশায় বসে রয়েছেন ব্যবসায়ীরা। কিন্তু এরপরও দোকানে ভিড় নেই। ফলে ভালবাসার দিনেও হতাশা জমেছে শহরের ব্যবসায়ীদের মনে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, অর্থনৈতিক অবস্থার কারণে খদ্দের কমছে। মূল্যবৃদ্ধিও অন্যতম সমস্যার কারণ হয়ে উঠেছে। আগের তুলনায় গিফট সামগ্রীর দাম অনেকটাই উর্ধমুখী। যে কারণে কোনও কিছু কিনতে গেলেই হাতে ছ্যাঁকা লাগছে ক্রেতাদের। দাম দেখে ‘ভালোবাসাটাই আসল, গিফটে কি এসে যায়’ বলে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন ক্রেতারা।

Rose Day 223 : রোজ ডে-তে চারগুণ বেশি দামে বিকচ্ছে গোলাপ, শিলিগুড়িতে ভিড় তবু ক্রেতাদের
অবশ্য দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি উঠে আসছে আরও একটি জ্বলন্ত কারণ উঠে এসেছে। তা হল অনলাইন মার্কেটিং। নেটিজেনরা বাড়িতে বসেই মোবাইল থেকে অর্ডার দিয়ে দিচ্ছেন পছন্দের জিনিস। অনেক সময়, ‘সারপ্রাইজ গিফট’ ভালোবাসার মানুষটির কাছে সরাসরি পাঠিয়ে অনলাইন ই-কমার্স সংস্থার মাধ্যমে। দোকানের ভিড় ঠেলে গিফট কেনার সময় কোথায় তাঁদের, বলছেন বিক্রেতারা। অনলাইন ব্যবসার কারণেই দোকানগুলিতে ভিড় আগের তুলনায় কমে গিয়েছে বলে মত তাঁদের।

Valentine Week : ভালোবাসার মরশুমে দক্ষিণী গোলাপই কাঁটা বাংলার
স্থানীয় ব্যবসায়ী শোভন পাহাড়ি বলেন, “অর্থনৈতিকভাবে একটা প্রতিবন্ধকতার মধ্যে দিয়ে এগোচ্ছে গোটা দেশ। যে কারণে এই উৎসবের দিনের বিশেষভাবে কোনও তাৎপর্য নেই। সব মিলিয়ে ব্যবসার অবস্থা খুব খারাপ। মানুষ শখ, আহ্লাদ মেটানোর বিষয়টি নিয়ে ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। তার প্রভাব পড়ছে আমাদের উপরেও।” এক ক্রেতা জানান, “কার্ডের এখনও গুরুত্ব রয়েছে। মানুষ প্রতিনিয়ত মোবাইলে ডিজিটালি সমস্ত কিছু শেয়ার করছে, কিন্তু বিশেষ মানুষটিকে হাতে করে কিছু দেওয়ার একটা আলাদা গুরুত্ব রয়েছে অবশ্যই।” আর্থিক স্বচ্ছলতা বাড়লে আবার অফলাইনে গিফট সামগ্রী কেনাকাটার কদর কিছুটা বাড়বে, তবে অনলাইন প্ৰতিদ্বন্দ্বীর সঙ্গে লড়ে ওঠা মুশকিল বলেই মনে করছেন বিক্রেতারা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *