Amartya Sen: ‘১৫ দিনে বাড়ি ছাড়ুন, নইলে …’, নোটিশে অমর্ত্য সেনকে হুঁশিয়ারি বিশ্বভারতীর – visva bharati sent eviction notice to nobel laureate amartya sen


বাড়ি-বিতর্কে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদকে অমর্ত্য সেনকে ফের নোটিশ দিল বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সেই নোটিশে ১৫ দিনের মধ্যে তাঁকে বাড়ি ছেড়ে দিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি, এই সময়ের মধ্যে বাড়ি খালি করা না হলে কর্তৃপক্ষের তরফে বলপ্রয়োগ করা হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করেছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতি বিজড়িত কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়। আর এই নোটিশ ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে বিতর্ক।

প্রসঙ্গত, নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের বাড়ির নাম ‘প্রতীচী’। এই বাড়ির গেটে আগেই উচ্ছেদের নোটিশ ঝুলিয়েছিল বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ।বুধবার ফের নতুন করে তাঁকে উচ্ছেদের নোটিশ পাঠানো হয়।

Amartya Sen : অমর্ত্য সেনের বাড়ি-জমি বেদখলের আশঙ্কা! পুলিশকে শান্তিরক্ষার নির্দেশ আদালতের
সূত্রের খবর, নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনকে পাঠানো ওই নোটিশে সই রয়েছে বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত কর্মসচিব অশোক মাহাতোর। নোটিশে ‘প্রতীচী’-র জমির লিজ বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

উল্লেখ্য, ‘প্রতীচী’-র গেটে কর্তৃপক্ষের তরফে উচ্ছেদের নোটিশ দেওয়ার পরই ১৭ এপ্রিল জবাবি চিঠি পাঠান নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন। সেই চিঠিতে একাধিক বিষয়ের কথা উল্লেখ করেন তিনি।

Mamata Banerjee : জমির রেকর্ড নিয়ে প্রতীচীতে মমতা ‘চা খাবেন?’: অমর্ত্য

সূত্রের খবর, চিঠিতে অমর্ত্য সেন লিখেছেন, প্রতীচী-র লিজের মেয়াদ এখনও শেষ হয়নি। মেয়াদ শেষের আগেই কী ভাবে জমির মালিকানা দাবি করা হচ্ছে? প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

Anubrata Mondal: ‘গরমে কাহিল, শরীর ভালো নেই’, তিহাড়ের মেয়াদ বৃদ্ধিতে কষ্টে কেষ্ট!
অমর্ত্য সেনের তরফে ওই চিঠি পেতেই নড়ে চড়ে বসে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ।১৯ এপ্রিল ‘প্রতীচী’-র জমি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে কর্তৃপক্ষের তরফে ইঙ্গিত মিলেছিল।কিন্তু বুধবার ফের উচ্ছেদের নোটিশ দেওয়ায়, নিজেদের অবস্থানে যে বিশ্বভারতী অনড়, তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে।

বর্তমানে শান্তিনিকেতনে নেই অমর্ত্য সেন। চলতি বছরের জুনে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ‘প্রতীচী’-তে ফিরবেন বলে জানা গিয়েছে। এই ইস্যুতে মুখ খুলেছেন তিনি। অধ্যাপক সেনের কথায়, “প্রতীচী-র আইনশৃঙ্খলা ও শান্তিরক্ষার নির্দেশ দিয়েছেন জেলাশাসক। সেটা মেনে চলা হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

গত ১৩ এপ্রিল ‘প্রতীচী’ জমি বিতর্কে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একটি শুনানির কথা ছিল। কিন্তু বিদেশে থাকায় ওই শুনানিতে অংশ নিতে পারেননি নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন।

এর পরই ১৪ এপ্রিল ‘প্রতীচী’-র গেটে উচ্ছেদের নোটিশ ঝুলিয়ে দেয় বিশ্বভারতী। কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, বেআইনিভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই জমি দখল করে রেখেছেন অমর্ত্য সেন।

Dilip Ghosh : ‘বাচ্চা ছেলে নাকি…মুখে চুসি নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন!’ মুকুলকে তোপ দিলীপের
এই নিয়ে অমর্ত্য সেনের আইনজীবীকে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের পক্ষ থেকে ইমেল করা হয়। ১৯৭১-র দখলদার উচ্ছেদ আইন অনুযায়ী নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

অন্যদিকে অমর্ত্য সেনের দাবি, ‘প্রতীচী’-র জমি ও বাড়ি তাঁর বাবার।‘প্রতীচী’-র ১.৩৮ একর জমি তাঁর নামে মিউটেশন করা রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *