নবান্ন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার বিষয়টি নিয়ে সরকারি পর্যায়ে একটি বৈঠক হয়৷ সেখানেই বেলপাহাড়িতে মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি সভার বিষয়টি ঠিক হয় এবং সেখানে বিরসা মুন্ডার জন্মদিন পালন করা হতে পারে বলেও সূত্রের খবর। তবে বিরসা মুন্ডার জন্মদিন উপলক্ষে মুখ্যমন্ত্রীর ঝাড়গ্রাম সফর হলেও, সেখানে বেশ কিছু প্রকল্পের উদ্বোধন করার সম্ভাবনাও রয়েছে তাঁর৷
উল্লেখ্য, এই বছর মে মাসেই মুখ্যমন্ত্রী ঝাড়গ্রামে গিয়েছিলেন প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিতে৷ তবে এবার তিনি শুধুমাত্র আদিবাসী সম্প্রদায়ের নেতা বিরসা মুন্ডার জন্মদিনে যোগ দেওয়ার জন্য ঝাড়গ্রামে যাচ্ছেন বলেই জানা গিয়েছে৷ যদিও তাঁর এই সফরকে প্রশাসনিক যাত্রা বলে মানতে নারাজ রাজনীতির কাণ্ডারিরা। কারণ সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন এবং তারপরই রয়েছে ২০২৪ সালের লোকসভা ভোট৷ ফলে সেদিকে নজর রেখেই মুখ্যমন্ত্রীর এই সফর বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ফলে এই সফরকে রাজনৈতিক অ্যাখ্যা দিয়েছেন রাজনীতির কারবারিরা৷
২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে আদিবাসী ভোট প্রায় সবই BJP পাওয়ায় জঙ্গলমহলের সবকটি আসনেই জয়ী হয়েছিলেন গেরুয়া শিবিরের প্রার্থীরা। তবে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ছবিটা পালটাতে সক্ষম হয়েছিল তৃণমূল ব্রিগেড৷ এবার দেশের রাষ্ট্রপতি পদে আদিবাসী সম্প্রদায়ের দ্রৌপদী মুর্মুকে আনায় আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচনে ফের জঙ্গলমহলবাসীর ভোট মোদী ব্রিগেডের ঘরে ঢুকতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে৷ ফলে সেই আদিবাসী ভোটব্যাঙ্কের কথা মাথায় রেখেই মুখ্যমন্ত্রীর এই প্রশাসনিক সফর বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
কলকাতায় ফিরে আসার কথা৷ তবে এই সফরকে পুরোপুরি রাজনৈতিক যাত্রা বলেই মনে করছেন রাজনীতির কারবারিরা৷ কারণ সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Elections)৷ সেখানে সদ্য হওয়া দ্রৌপদী মুর্মুকে (Draupadi Murmu) দেখে জঙ্গলমহলের (Junglemahal) আদিবাসী সম্প্রদায়ের (Tribal Communities) ভোট গেরুয়া শিবিরে চলে গেলে সমস্যায় পড়বে রাজ্যের শাসকদল৷ আর সেজন্যই এই সফর বলে মনে করা হচ্ছে৷