পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, শুভমের মামা বাড়িতে এলে তাঁকে কাকা শুভঙ্কর নস্কর গালিগালাজ করতে শুরু করেন বলে অভিযোগ। এই ঘটনার প্রতিবাদ করেন শুভম। তারপরেই শুভমের কাকাকে ইট ছোড়ে হয় এবং তাঁর মুখ লক্ষ্য করে মারা হয় বলে অভিযোগ। রাতেই তাঁকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়৷ তারপরই থানায় অভিযোগ জানানো হয়৷ পুলিশ সুভাষগ্রাম হাসপাতালে পাঠায় আক্রান্ত যুবককে৷ সেখান থেকে চিত্তরঞ্জনে পাঠানো হয় ওই আক্রান্ত যুবককে৷
আক্রান্ত কলেজ ছাত্র শুভম নস্করের দাবি, ‘‘আমার মামা আমাদের বাড়িতে এসেছিল৷ মামা যাওয়ার সময় আমার কাকা গালিগালাজ করা শুরু করে৷ তখন আমি প্রতিবাদ করি৷ কিন্তু মামা আমাকে ঝগড়া করতে বারণ করে৷ সেসময় কাকা মামাকে ইট ছুড়ে মারে আর আমার মুখেও ইট দিয়ে মারে৷’’ তাঁর দাবি, ‘‘পারিবারিক বিবাদ ছিল৷ আমাদের ওই জায়গায় থাকতে দেবে না বলে গণ্ডগোল চলছিল৷ আমি আমার কাকার গ্রেফতারি চাইছি৷’’
এই ঘটনায় নরেন্দ্রপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে আক্রান্ত যুবকের পরিবার৷ অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ৷
অভিযুক্তের শাস্তির আর্জি জানিয়েছে অভিযোগকারী পরিবার৷ পুলিশ খতিয়ে দেখছে, ঠিক কী ঘটেছিল এবং কেন কাকা নিজের ভাইপোকে এভাবে ইট ছুড়ে মারল৷ আগে থেকে কোনও পারিবারিক গোলযোগ রয়েছে, কিনা এবং তার জেরেই এদিন ইট দিয়ে আক্রমণ করা হয় কিনা, খতিয়ে দেখছে নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ৷ এনিয়ে পরিবারের সকলের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি প্রতিবেশীদের থেকেও এই সংক্রান্ত যাবতীয় খোঁজখবর নেওয়া শুরু করেছে নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ৷