এই প্রসঙ্গে সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরী বলেন, ‘‘পশ্চিম দিনাজপুর ভাগ হয়ে দুটো জেলা হয়েছে৷ চোপড়া, ইসলামপুরের মানুষকে বালুরঘাটে যেতে হত জরুরি পরিষেবাটি পাওয়ার জন্য৷ এটা কেন এতদিন সমাধান হয়নি, তা আমার কাছে আশ্চর্যের বিষয়৷ আমার কাছে এই আর্জি যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি সিদ্ধান্ত নিই, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মুখ্য ডাকঘর করার জন্য যা যা ব্যবস্থা দরকার, সেই গ্রহণ করব৷ সেইমতো যোগাযোগ মন্ত্রীর সঙ্গে লাগাতার কথা বার্তা বলতে থাকি৷’’
তাঁর দাবি, ‘‘উত্তর দিনাজপুর জেলার ব্যাপ্তি অনেক৷ চোপড়া থেকে বালুরঘাটে যাওয়া খুবই অসুবিধাজনক৷ বিশেষ করে বয়স্কদের ক্ষেত্রে৷ কারণ ডাকঘরে অনেক কাজ থেকে তাঁদের৷ এই কাজটা আমরা করে দিতে পেরেছি৷ উত্তর দিনাজপুরকে ডাক যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমরা স্বতন্ত্র পরিচয় এনে দিতে পেরেছি৷’’
প্রসঙ্গত, পশ্চিম দিনাজপুর জেলা বিভক্তিকরণের পর দীর্ঘ বছর পেরিয়ে গেলেও, প্রধান ডাকঘর সেই বালুরঘাটেই থেকে যায়। যার জেরে ডাক সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজের ক্ষেত্রে উত্তর দিনাজপুরের মানুষকে সমস্যায় পড়তে হত।
চোপড়া-ইসলামপুরের মানুষজনকে প্রায় ২৫০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে বালুরঘাটে গিয়ে কাজ করতে হত। এর ফলে একদিকে সময়, অপরদিকে অর্থের অপচয় হত। সেদিকে তাকিয়ে রায়গঞ্জে পৃথক প্রধান ডাকঘর গঠনের উদ্যোগ নেন সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরী। রায়গঞ্জের প্রধান ডাকঘর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরী, পশ্চিমবঙ্গ সার্কেলের মুখ্য ডাক আধিকারিক জে. চারুকেশি।