উল্লেখ্য, জাতীয় সড়কের মাঝে কাটা থাকে, যেখান দিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা যাতায়াত করেন৷ সেই কাট আউট বন্ধ করে দিলে, প্রায় দু’ কিলোমিটার পথ ঘুরে যাতায়াত করতে হবে৷ স্থানীয়দের অভিযোগ, নলা গ্রামে প্রায় ৫-৬টি গ্রাম আছে৷ পাশাপাশি একটি স্কুলও আছে। তাদের যাতায়াতের জন্য জাতীয় সড়কের একমাত্র এই কাট আউট দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। ফলে এলাকার বাসিন্দাদের চরম সমস্যায় পড়তে হবে বলেই দাবি। মঙ্গলবার সকাল ন’টা ৪৫ মিনিটে অবরোধ শুরু হয়৷ এরপর প্রায় সাড়ে দশটা নাগাদ পুলিশের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেন বিক্ষোভকারীরা৷ অবরোধকারীদের দাবি, ফ্লাইওভার করতে হবে, না হলে বিকল্প রাস্তা দিতে হবে। তাই সেই দাবিতেই তাঁরা এই পথ অবরোধ করেছেন বলে দাবি৷
এই অবরোধের জেরে রাস্তায় যান চলাচল স্তব্ধ হয়ে যায়৷ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বর্ধমান থানার পুলিশ (Burdwan Police Station)৷ পুলিশি আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেন ক্ষুব্ধ এলাকার বাসিন্দারা। এরপরই ফের ওই রাস্তায় যান চলাচল শুরু হয়৷ এক অবরোধকারী বলেন, ‘‘এখানে পাঁচটা গ্রাম আছে এবং একটা হাইস্কুল আছে৷ এই কাটিং বন্ধ করে দিলে এই পাঁচটা গ্রামের মানুষ কোন দিন দিয়ে যাতায়য়াত করবে? আমরা সব স্তরে আবেদন করেছি যে, একটা ব্যবস্থা করা হোক যাতায়াতের৷ DM, BDO, থানা, পঞ্চায়েত সব জায়গায় জানিয়েছি আমরা৷ তা সত্ত্বেও হঠাৎ করেই বন্ধ করে দিচ্ছে, তাহলে গ্রামের মানুষগুলো যাতায়াত ক রবে কীভাবে? সেজন্য বাধ্য হয়েই আমরা আজ অবরোধ করেছি৷’’
আর এক বিক্ষোভকারী মঙ্গলদ্বীপ সামন্ত বলেন, ‘‘নলা মোড়ে এই কাটিং প্রথম থেকেই ছিল৷ এখন জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷ এটা বন্ধ করে দিলে পাঁচটা গ্রামের মানুষকে দু’-তিন কিলোমিটার ঘুরে যেতে হবে৷ এতে এলাকাবাসী হয়রানি হবে৷ লিখিতভাবে প্রশাসনকে জানানোর পরও কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি৷ তাদের তরফে আশ্বাস মিলেছে৷’’ দাবি পূরণ না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুমকি দিয়েছেন তাঁরা৷