Bankura Tourism ” আই লাভ…” স্টাইলে সেলফি জোন ট্রেন্ডিং পর্যটন স্থানগুলিতে। বাদ গেল না মুকুটমণিপুরও।‌‌ জল, জঙ্গল আর পাহাড়ি সৌন্দর্যে ভরা ‘বাঁকুড়ার রানি’ মুকুটমণিপুর (Mukutmanipur Tourism)। ফি বছর দেশ বিদেশের অসংখ্য পর্যটক এখানে প্রাকৃতিক শোভার স্বাদ নিতে আসেন। আর শীতের দিন গুলিতে সেই সংখ্যা আরও কয়েক গুণ বেড়ে যায়। এবার সেই সব ভ্রমণ পিপাসু পর্যটকদের জন্য বাড়তি চমক। মুকুটমনিপুর (Mukutmanipur) ঘুরে যাওয়ার স্মৃতিকে নিজেদের কাছে আরও বেশি উজ্জ্বল করে রাখতে প্রশাসনিক উদ্যোগে তৈরি হল বিশেষ সেলফি জোন ‘আই লাভ মুকুটমনিপুর’। নিজস্বী তুলে হোয়াটস অ্যাপ বা ফেসবুকের ডিপি পরিবর্তন করার জন্য আদর্শ জায়গা হতে চলেছে এটি।

Jhargram Tourism: কলকাতা থেকে ২০০ কিমির মধ্যেই ট্রেক রুট, পর্যটকদের উৎসাহে বাড়ছে হোম স্টে

মুকুটমণিপুরের (Mukutmanipur) অবস্থানগত সুবিধার জন্য এখান থেকেই সহজেই পৌঁছে যাওয়া যায় মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরের মশক পাহাড়, ২৫ কিলোমিটার দূরের সূতান, ৩০ কিলোমিটার দূরের ঝিলিমিলি, তালবেড়িয়া ড্যাম, ১২ মাইলের জঙ্গল। আর তাছাড়া মুকুটমণিপুরের নিজস্ব পার্শ্ববর্তী ভ্রমণ স্থান হিসাবে রয়েছে পরেশনাথ মন্দির, ডিয়ার পার্ক, মুশাফিরানা, দেবী অম্বিকার মন্দির, অম্বিকানগর রাজবাড়ি আর বীর বিপ্লবী শহীদ ক্ষুদিরামের স্মৃতি বিজড়িত ছেঁদাপাথরের জঙ্গল আর সেই ঐতিহাসিক গুহা তো আছেই।

Puchka Kolkata: আইসক্রিম থেকে মটন-ফ্লেভারের রকমফের, শীতে ঘুরে আসুন ফুচকা গ্রামে, রইল ঠিকানা

পর্যটকদের স্বার্থে এবার বেশ কিছু নতুন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে মুকুটমণিপুর ডেভেলপমেন্ট অথরিটি’। মুকুটমণিপুর জলাধারে নৌকা বিহারে যাওয়া পর্যটকদের ‘লাইফ জ্যাকেট’ ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এক একটি নৌকায় ১৭ জনের বেশি যাত্রী তোলা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি নৌকা, টোটো সহ অন্যান্য যানবাহনে ‘রেট চার্ট’ নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। করোনা আবহে গত দু’বছর পর্যটন ব্যবসা ব্যাপক মার খেয়েছে বলে দাবি স্থানীয় ব্যবসায়ীদের। কিন্তু এ বছরের ছবিটা সম্পূর্ণ ভিন্ন। চলতি পর্যটন মরশুমে মুকুটমণিপুরের হোটেল গুলিতে ‘ঠাঁই নাই ঠাঁই নাই’ অবস্থা। সবমিলিয়ে আগত পর্যটকদের সাদরে অভ্যর্থনা জানাতে প্রস্তুত ‘বাঁকুড়ার রানি’ মুকুটমনিপুর।

Darjeeling Tourism: গান বাজনার সঙ্গে দেদার খানাপিনা, পর্যটনের উৎসবের সৌজন্যে শীতের দার্জিলিং এবার আরও জমজমাট

মুকুটমণিপুরের অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য তাকে রাঢ় বঙ্গের রানি বলা হয়। বাঁকুড়ার একেবারে দক্ষিণে কংসাবতী ও কুমারী নদী যেখানে মিলেছে সেখানেই আদিগন্ত বিস্তৃত জলরাশি নিয়ে গড়ে উঠেছে এই মুকুটমণিপুর জলাধার। জলাধারের চারিদিকে যতদূর চোখ যায়, সে দিকেই রয়েছে সবুজে ঢাকা ছোট ছোট পাহাড় আর টিলা। শীত পড়লেই আম বাঙালির মন উড়ু উড়ু । তার জন্যেই ভ্রমণের আদর্শ ঠিকানা হতে পারে বাঁকুড়ার মুকুটমণিপুর।

পশ্চিমবঙ্গের আরও খবরের জন্য ক্লিক করুন। প্রতি মুহূর্তে খবরের আপডেটের জন্য চোখ রাখুন এই সময় ডিজিটালে



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version