মুকুটমণিপুরের (Mukutmanipur) অবস্থানগত সুবিধার জন্য এখান থেকেই সহজেই পৌঁছে যাওয়া যায় মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরের মশক পাহাড়, ২৫ কিলোমিটার দূরের সূতান, ৩০ কিলোমিটার দূরের ঝিলিমিলি, তালবেড়িয়া ড্যাম, ১২ মাইলের জঙ্গল। আর তাছাড়া মুকুটমণিপুরের নিজস্ব পার্শ্ববর্তী ভ্রমণ স্থান হিসাবে রয়েছে পরেশনাথ মন্দির, ডিয়ার পার্ক, মুশাফিরানা, দেবী অম্বিকার মন্দির, অম্বিকানগর রাজবাড়ি আর বীর বিপ্লবী শহীদ ক্ষুদিরামের স্মৃতি বিজড়িত ছেঁদাপাথরের জঙ্গল আর সেই ঐতিহাসিক গুহা তো আছেই।
পর্যটকদের স্বার্থে এবার বেশ কিছু নতুন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে মুকুটমণিপুর ডেভেলপমেন্ট অথরিটি’। মুকুটমণিপুর জলাধারে নৌকা বিহারে যাওয়া পর্যটকদের ‘লাইফ জ্যাকেট’ ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এক একটি নৌকায় ১৭ জনের বেশি যাত্রী তোলা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি নৌকা, টোটো সহ অন্যান্য যানবাহনে ‘রেট চার্ট’ নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। করোনা আবহে গত দু’বছর পর্যটন ব্যবসা ব্যাপক মার খেয়েছে বলে দাবি স্থানীয় ব্যবসায়ীদের। কিন্তু এ বছরের ছবিটা সম্পূর্ণ ভিন্ন। চলতি পর্যটন মরশুমে মুকুটমণিপুরের হোটেল গুলিতে ‘ঠাঁই নাই ঠাঁই নাই’ অবস্থা। সবমিলিয়ে আগত পর্যটকদের সাদরে অভ্যর্থনা জানাতে প্রস্তুত ‘বাঁকুড়ার রানি’ মুকুটমনিপুর।
মুকুটমণিপুরের অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য তাকে রাঢ় বঙ্গের রানি বলা হয়। বাঁকুড়ার একেবারে দক্ষিণে কংসাবতী ও কুমারী নদী যেখানে মিলেছে সেখানেই আদিগন্ত বিস্তৃত জলরাশি নিয়ে গড়ে উঠেছে এই মুকুটমণিপুর জলাধার। জলাধারের চারিদিকে যতদূর চোখ যায়, সে দিকেই রয়েছে সবুজে ঢাকা ছোট ছোট পাহাড় আর টিলা। শীত পড়লেই আম বাঙালির মন উড়ু উড়ু । তার জন্যেই ভ্রমণের আদর্শ ঠিকানা হতে পারে বাঁকুড়ার মুকুটমণিপুর।
পশ্চিমবঙ্গের আরও খবরের জন্য ক্লিক করুন। প্রতি মুহূর্তে খবরের আপডেটের জন্য চোখ রাখুন এই সময় ডিজিটালে।