জানা যায়, কেশপুরের (Keshpur) নেড়াদেউল থেকে চন্দ্রকোনার (Chandrakona) দিকে আসছিল একটি পিক আপ ভ্যান। নেড়াদেউলের কাছে পুলিশ পিক আপ ভ্যানটিকে আটকাতে গেলে পালানোর চেষ্টা করে। এরপর পিকআপ ভ্যানটিকে তাড়া করে নিয়ে আসে পুলিশের পেট্রলিং গাড়ি। পুলিশের নির্দেশেই বুড়াপাট পাঁচকুড়িতে পলাতক পিকআপ ভ্যান টিকে রাস্তার উপরে আটকানোর চেষ্টা করে দায়িত্বপ্রাপ্ত সিভিক ভলান্টিয়ারকে (Civic Volunteer)। সেই সময় দ্রুত বেগে আসা পিকআপ ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে যায় ওই সিভিক ভলেন্টিয়ার। তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় চন্দ্রকোনা গ্রামীণ হাসপাতালে (Chandrakona Rural Hospital)। পরে স্থানান্তরিত করা হয় মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।
অন্যদিকে, ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এলাকাবাসী। ঘাতক গাড়িটিকে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয় এলাকাবাসীর তরফে। পুলিশের বিরুদ্ধেও একরাশ ক্ষোভ উগরে দেয় তারা। এলাকাবাসীর অভিযোগ, রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে নিত্যদিন বিভিন্ন গাড়ি থেকে তোলার টাকা আদায় করে পুলিশ। আর এই কারণে বিভিন্ন সময় পুলিশের তাড়া খেয়ে গাড়ি পালানোর চেষ্টা করে। পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানিয়ে কেশপুর চন্দ্রকোনা রাজ্য সড়ক দীর্ঘক্ষণ অবরোধ করে এলাকাবাসী। এখনও পর্যন্ত ঘটনাস্থলে চরম উত্তেজনা রয়েছে। ঘটনার স্থলে রয়েছে আনন্দপুর থানার পুলিশ (Anandapur Police Station)।
অন্যদিকে, পশ্চিম মেদিনীপুরে (West Medinipur) পৃথক একটি ঘটনায় বাড়িতে আগুন লেগে পুড়ে ছাই প্রয়োজনীয় নথি সহ নগদ টাকা ও একটি মোটর বাইক। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যর সৃষ্টি হয় এলাকায়। ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুর (West Medinipur) জেলার চন্দ্রকোনা দু’নম্বর ব্লকের পিংলাস গ্রামের। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পিংলাস এলাকার বাসিন্দা বিশ্বরূপ দলুই নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে আজ দশটা নাগাদ, হঠাৎ দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা। কিন্তু এদিন ওই পরিবারের সদস্যরা কেউ ছিল না, কারণ তারা প্রত্যেকেই দিঘাতে পিকনিক করতে গিয়েছিল। স্থানীয়দের প্রচেষ্টায় আগুন নেভানো সম্ভব হলেও সমস্ত কিছু পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যে ঘটনার খবর দেওয়া হয়েছে বিশ্বরূপ দলুইকে। স্থানীয়দের প্রাথমিক অনুমান শর্ট সার্কিট থেকে এই আগুনটি লেগেছে। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চলের সৃষ্টি হয় এলাকায়।