West Bengal News : আগুন লাগার পর কেটে গিয়েছে প্রায় ২০ ঘণ্টা। রায়গঞ্জের (Raiganj) মনিপাড়ায় পাটের গুদামে আগুন (Fire incident) নিয়ন্ত্রণে আসলেও এখনও কিন্তু পুরোপুরি নেভানো সম্ভব হয়নি। জোরকদমে চলছে আগুন নেভানোর কাজ। পুড়ে যাওয়া পাট সরানোর পাশাপাশি চলছে জল সরবরাহের প্রক্রিয়া। দমকলের ৭টি ইঞ্জিন এসে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালাচ্ছে। বিধ্বংসী আগুনে ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে গুদামে মজুত করা বিপুল পরিমাণ পাট। সঙ্গে দুটো লরিও আগুনে ভস্মীভূত হয়েছে। পাটের গুদামের পিছনে অবস্থিত অপর একটি গুদামেও আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনাস্থলে মোতায়েন রয়েছে রায়গঞ্জ থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী (Uttar Dinajpur News)। তবে কীভাবে এই বিধ্বংসী আগুন লাগল তা অবশ্য এখনও জানা যায়নি। এত বড় গুদামে অগ্নি নির্বাপনের তেমন কোনও ব্যবস্থা না থাকায় প্রশ্ন উঠছে মালিকদের গাফিলতির দিকে। দমকলের ৭ টি ইঞ্জিন আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালাচ্ছে। বসানো হয়েছে ট্রেলার পাম্প। মালদা ও উত্তর দিনাজপুর জেলার ডিভিশনাল ফায়ার অফিসার স্বপন কুমার দাস বলেন, “উত্তর দিনাজপুর জেলার সবকটি ফায়ারস্টেশন সহ মালদা জেলা থেকেও দমকলের ইঞ্জিন এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালানো হচ্ছে”। আগুন প্রায় নিয়ন্ত্রিত বলে জানান তিনি। তবে এত বড় গোডাউনে অগ্নি নির্বাপনের ব্যবস্থা না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি। গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। Fire Incident: পাটের গুদামে বিধ্বংসী আগুনে আতঙ্ক, শীতের হাওয়ায় লেলিহান শিখার দাপট
তবে এই বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তীব্র আতঙ্কে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এর ফলে তাঁদের সাধারন জীবনযাপন ও নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে দাঁড়িয়ে রয়েছে বলে অভিযোগ করেন তাঁরা। অন্যদিকে, গুদামে অগ্নি নির্বাপনের ব্যবস্থা না থাকার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন গুদাম মালিক পোখরাজ সিন্ধ্রি। তাঁর কথায়, “কোনোদিন এই ধরনের ঘটনা চাক্ষুষ করিনি। জীবনে এই প্রথম এত বড় অগ্নিকান্ড হতে দেখলাম। এই ধরনের ঘটনার অভিজ্ঞতা না থাকায় অগ্নি নির্বাপনের ব্যবস্থা রাখার কথা কোনোদিন মাথাতেই আসেনি”।