ঠিক কি বলেছেন তিনি? বুধবার উদয়নারায়নপুরে (Udaynarayanpur) আবাস প্রকল্পের উপভোক্তা সচেতনতা শিবিরে উপভোক্তাদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সমীর পাঁজা বলেন, “আবাস যোজনায় বাড়ি তৈরির সময় কোনও ব্যক্তি টাকা চাইলে তাকে টাকা দেবেন না। এমনকি কোনও ব্যক্তি যদি তার কাছ থেকে ইমারতি দ্রব্য নেওয়ার ব্যাপারে জোর করে আমাকে বিষয়টি জানাবেন। আমি পুলিশ প্রশাসনকে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলব।” এদিন আবাস যোজনা প্রকল্পে উদয়নারায়নপুর ব্লকের ১১টি গ্রাম পঞ্চায়েতের ৯১৬ জন উপভোক্তাকে নিয়ে আয়োজিত এই সচেতনতা শিবিরে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হাওড়া জেলা পরিষদের ডেপুটি সেক্রেটারি সোমনাথ পাল, উদয়নারায়নপুরের BDO প্রবীর কুমার শীট, উদয়নারায়নপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুলেখা পাঁজা সহ অন্যান্যরা।
প্রশাসনের তরফে জানা গিয়েছে, ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে (Account) প্রথম পর্যায়ের টাকা সরাসরি ঢুকে যাবে। এই নিয়ে বিধায়কের নিদান, প্রথম পর্যায়ের টাকা পাওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে কাজ শেষ করতেই হবে। আর এরপর একইভাবে দ্বিতীয় পর্যায়ের টাকা অ্যাকাউন্টে (Account) ঢুকে যাবে।
উল্লেখ্য, গোটা রাজ্য জুড়েই প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা (Awas Yojana) নিয়ে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠছে। তার আঁচ থেকে বাদ যায়নি হাওড়া জেলাও। বিরোধীদের প্রবল নিশানায় রয়েছে শাসকদল। গ্রামে গ্রামেও দেখা যাচ্ছে প্রতিবাদ। অনেকেরই দাবি, যোগ্য মানুষদের নাম লিস্টে না রেখে যাদের আবাস যোজনার বাড়ির কোনও দরকারই নেই, তাঁদের নাম লিস্টে ঢোকানো হচ্ছে। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় আবাস যোজনা (Awas Yojana) নিয়ে যখন দুর্নীতির অভিযোগ উঠছে তখন উদয়নারায়নপুরের বিধায়কের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে সাধারণ মানুষ।