West Bengal News : মিড ডে মিল (Mid Day Meal) সংক্রান্ত বিতর্ক যেন থামতেই চাইছে না রাজ্য জুড়ে। মরা সাপ, টিকটিকি, ইঁদুর, আরশোলার পর এবার মিড ডে মিলের খাবার নিয়ে উঠে এল বিস্ফোরক এক নতুন অভিযোগ। আর এই অভিযোগ করল স্বয়ং স্কুল কর্তৃপক্ষ। মালদা (Malda) জেলার রতুয়া এক নম্বর ব্লকের কুমারিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় স্কুল কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, দুর্গন্ধময় নোংরা জলে তৈরি করতে হচ্ছে মিড ডে মিল (Mid Day Meal)। আর এই মিড ডে মিল খেয়ে অসুস্থ হচ্ছে ছাত্র ছাত্রীরা।

Mid Day Meal : মিড ডে মিলের খিচুড়িতে আরশোলা! কেন্দ্রীয় দলের রাজ্যে সফরের মধ্যেই অব্যবস্থার ছবি প্রকট
এই পরিস্থিতিতে যদি জেলা প্রশাসন সাবমার্সাল নতুন করে বসিয়ে না দেয়, তাহলে মিড ডে মিল বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। উল্লেখ্য, মালদা (Malda) জেলায় যখন মিড ডে মিলে খাবারের গুনগত মান অনুসন্ধান করতে বিভিন্ন বিদ্যালয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল, ঠিক এই সময়ে এই ছবি উঠে এসেছে ওই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

Midday Meal Scheme : মিড-ডে মিলে ‘আরশোলা’, নড়েচড়ে বসল জেলা প্রশাসন! একাধিক স্কুলে পরিদর্শন
মিড ডে মিলের (Mid Day Meal) রান্না করার রাঁধুনি থেকে স্কুলের শিক্ষকরা, সকলেই এই ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে নিয়েছেন। অভিযোগ তুলছেন, নোংরা ও দুর্গন্ধযুক্ত জল পান করতে হচ্ছে পড়ুয়াদের। শুধু তাই নয়, এই জল দিয়েই মিড ডে মিলের রান্না চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ। শিক্ষকদের বক্তব্য, বারবার BDO-কে জানিয়েও কোনও ফল হয়নি। এক অভিভাবক এই বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে জানান, “এই এলাকায় জলের মধ্যে অনেক বেশি পরিমাণে আর্সেনিক, আয়রন সহ অন্যান্য মিনারেল রয়েছে। কল থেকে যে জল বেরোয়, তা অনেক ঘোলা। এই জলই স্কুলের পড়ুয়াদের খেতে হচ্ছে। শুধু তাই নয়, মিড ডে মিলের রান্নাও এই জলেই করা হয়।”

Mid Day Meal : একদিনের মিড ডে মিল থেকে রাঁধুনির বেতন! অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের সামনে প্রতিবাদে সরব গ্রামবাসীরা
বিষয়টি স্বীকার করে নিয়ে স্কুলের এক শিক্ষক বলেন, “আমরা ভালো সাব মার্শাল বসানোর জন্য রতুয়া এক নম্বর ব্লকের BDO-কে জানিয়েছি লিখিতভাবে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও কাজের কাজ হয়নি। BDO অফিস থেকে আমাদের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে খুব তাড়াতাড়ি এই সমস্যার সমাধান করা হবে। আর এই বিষয়ে আমরা স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধানকেও সমস্ত কিছু জানিয়েছি।” গত একমাসে প্রায় সাতজন শিশু অসুস্থ হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। অতীতেও শিশুরা অসুস্থ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। শিক্ষকও বলছেন, “এই জল দুর্গন্ধযুক্ত। অদ্ভুত এক গন্ধ। সকালে প্রথমে লাল রঙের জল বেরোয়। ওই জলেই মিড ডে মিলের রান্না হয়, বাচ্চারা খায়। আমরা চাই বিকল্প কিছু ব্যবস্থা হোক। নাহলে স্কুলে মিড ডে মিল (Mid Day Meal) বন্ধ করতে হবে।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version