পরবর্তীতে কুশ পুতুলকে আগুনে দাহ করে বিক্ষোভকারীরা। বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক মিঠু দাস বলেন, “বিজেপির এই অঞ্চলের কার্যকর্তারা রাতদিন পরিশ্রম করে ওঁকে জিতিয়েছিলেন। আজকে তাঁদের সঙ্গে বেইমানি করে শুধুমাত্র টাকার লোভে আর নিজের স্বার্থসিদ্ধি করার জন্য উনি তৃণমূলে নাম লিখিয়েছেন। আমরা তাঁকে গদ্দার বলে চিহ্নিত করছি।” পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে উত্তরবঙ্গ থেকে এক বিধায়ক শাসক দলে যোগ দেওয়াটা অনেকটাই লাভজনক বলে মনে করছে তৃণমূল। যদিও এর জন্য বিজেপির সংগঠনে কোনও প্রভাব পড়বে না বলেই জানিয়েছেন রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। যদিও সোমবার এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহ জানিয়েছেন, ‘অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দরজা খুলে দিয়েছে। এখন একের পর এক উইকেট পড়বে।’ তিনি আরও বলেন, “এক একদিন এক একটা উইকেট পড়বে। কখন কোথায় পড়বে তা বলা মুশকিল সুমনরা দেখিয়ে দিয়েছন, বিজেপিতে ভদ্রলোক থাকতে পারে না। সেই কারণে সাম্প্রদায়িকতা, বিচ্ছিন্নতাবাদের বিরুদ্ধে লড়াই আরও জোরদার করতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সুমন।”
উল্লেখ্য, ২০২০ সালে রাজনীতিতে যোগদান করেন সুমন কাঞ্জিলাল। এরপর ২০২১ সালে আলিপুরদুয়ার কেন্দ্র থেকে বিজেপির টিকিটে নির্বাচনে লড়েন। জিতেও যান। ২০২১ বিধাসভা নির্বাচনে আলিপুরদুয়ার জেলায় সবকটি আসনেই পরাজিত হতে হয় তৃণমূল প্রার্থীদের। সেই দুর্ভেদ্য জেলা থেকে একটি বিধায়ক শাসক দলে নাম লেখানোয় আগামী দিনে নির্বাচনে যথেষ্ট প্রভাব পর্বে বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলে। তবে আগামী দিনে আর কোনও বিজেপি বিধায়ক দলবদল করেন কিনা সে নিয়ে গুঞ্জন রয়েছে জেলা জুড়ে
