স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কৃষ্ণগঞ্জ ব্লকের বাঘনা পাড়ার বাসিন্দা অমল বিশ্বাস, টুঙ্গির বাসিন্দা সুনীল বিশ্বাস, নালু পুরের বাসিন্দা শিখা রায় ২০১৯-২০২০ ও ২০২০-২১ অর্থবর্ষে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্পে ঘর তৈরির টাকা পেয়েছিলেন। প্রথম কিস্তির টাকা পেয়ে গেলও সেই টাকা থেকে কেউই বাড়ি তৈরি করেনি বলে অভিযোগ পান কৃষ্ণগঞ্জ ব্লকের বিডিও। প্রশাসনিক স্তরে খোঁজখবর নিয়ে ঘটনার সত্যতা জানতে পারারর থানায় অভিযোগ দায়েরের সিদ্ধান্ত নেন বিডিও। লিখিত অভিযোগের তদন্ত নেমে পুলিশ জানতে পারে সরকারি অর্থে এই তিন উপভোক্তা কেউই বাড়ি তৈরি করেনি। তদন্তে পাওয়া তথ্য-প্রমাণ অনুসারে ভারতীয় দণ্ডবিধির বেশ কয়েকটি ধারায় তাদের বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ তছরুপের অভিযোগে মামলা রুজু করা হয়েছে। ধৃতদের আজ কৃষ্ণনগর আদালতে পেশ করা হয়েছে।
কৃষ্ণগঞ্জ ব্লকের বিডিও কামাল উদ্দিন আহমেদ এই প্রসঙ্গে বলেন, ‘যাঁরা টাকা পেয়েও বাড়ি করেননি এমন বেশ কয়েকজনের নামে আমাদের কাছে অভিযোগ এসেছিল। খতিয়ে দেখে অভিযোগের সত্যতা মেলার কারণে কয়েকজনের নামে এফআইআর রুজু করা হয়েছে। পুলিশ তদন্ত করে তাদেরকে গ্রেফতার করেছে। হয় উপভোক্তাদের টাকা ফেরত দিতে হবে নতুবা বাড়ি করতে হবে অন্যথায় আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা হবে।’ উল্লেখ্য, সামনে রাজ্যে ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত নির্বাচন। তাঁর আগে আবাস যোজনায় দুর্নীতি রাজ্যের অন্যতম জ্বলন্ত ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। ইতিমধ্যেই বেনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে রাজ্যে একাধিকবার এসেছে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের প্রতিনিধি দল। তার মধ্যে নতুন ধরনের অভিযোগে এই গ্রেফতারি নিয়ে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।