কী কী বই কিনলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়?
ছেলেবেলা থেকেই তিনি বইপোকা। তাই প্রতিবছর হাজার কাজের ফাঁকেও সময় করে একবার অন্তত বইমেলা আসা চাই-ই চাই। এবারেও সেই নিয়ম ভঙ্গ হয়নি। কলকাতা হাইকোর্টে একের পর এক জটিল মামলা সামলে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যাবেলা বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এসে হাজির হলেন আন্তরর্জাতিক কলকাতা পুস্তক মেলায়। একাধিক বই কিনেছেন তিনি। ঢুঁ মেরেছেন দে’জ পাবলিশিং, অনুষ্টুপ প্রকাশনীর মতো জনপ্রিয় স্টলগুলি। কেবলমাত্র দে’জ পাবলিশিং হাউজ থেকেই দু’হাজার টাকার বই কিনেছেন তিনি। বিচারপতির কেনা বইয়ের তালিকায় রয়েছে, বাণী বসুর আদি সংবাদ, স্বপ্নময় চক্রবর্তীর সাদা কাক, অরুণ নাগের হুতুম প্যাঁচার নকশা, জয়ন্ত সেনগুপ্তর হেঁশেল দর্পন, সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায়ের ক্যানসার। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, তৃণমূল সাংসদ জহর সরকারের তেরো পার্বণের ইতিকথা। এছাড়াও অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়ছেন, তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা নতুন বইগুলি দেখতেও আগ্রহী।
বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের কেনা কিছু বই। রয়েছে জহর সরকারের বইও।
বইমেলায় এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, দুর্নীতির অদৃশ্য হাত কবে সামনে আসবে? আর কত অপেক্ষা করতে হবে? প্রশ্ন শুনে বেশ কিছুক্ষণ চুপ থাকেন বিচারপতি। আবারও তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, উত্তর দেওয়া কি খুব কঠিন? তিনি বলেন, “কঠিন কিছুই নয়।” রাস্তায় বসে ন্যয্য চাকরির দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন শয়ে শয়ে বেকার। এ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে বইমেলায় দাঁড়িয়ে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “দেখুন না, অপেক্ষা করুন।
বইমেলায় নস্টালজিক বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়
বইমেলায় গিয়ে নস্টালজিক হয়ে পড়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বইমেলার স্মৃতি হাতরিয়ে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে বলতে শোনা যায়, “যখন পার্ক স্ট্রিটে কিংবা ভিক্টোরিয়ার পাশে বইমেলা হত তখন তার একটা আলাদা চার্ম ছিল। এখন তো কলকাতা কেবল ভুলে ভরা। তাই কলকাতার বইমেলা এখন ২৪ পরগনায় হয়।” তিনি এও জানান, বইমেলায় গিয়ে বই কিনতে তাঁর খুব ভালো লাগে। বাংলা বই কিনতে, বাংলা বই পড়তে তিনি খুব ভালোবাসি। পাশাপাশি সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নতুন প্রকাশিত বই ঘুরে দেখবেন তিনি।
