বুধবার বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের (Bankura Medical College and Hospital) সুপার ডাঃ সপ্তর্ষী চট্টোপাধ্যায় জানান, ”এদিন থেকেই এই হাসপাতালে এ.আর.আই (অ্যাকুইট রেসপিওটরি ইনফেকশন) ক্লিনিক খুলে গেল। একই সঙ্গে আগামী দু’-তিন দিনের মধ্যে বহির্বিভাগে এ.আর.আই-র জন্য পৃথক টিকিট কাউন্টার খোলা হচ্ছে।”
জানা গিয়েছে, হাসপাতালে ক্রমশই বাড়ছে কাশি ও জ্বরের উপসর্গ নিয়ে শিশুদের ভিড়। অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে কম পড়ে গিয়েছে শয্যা। বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের (Bankura Medical College and Hospital) সুপার জানিয়েছেন, শিশু বিভাগের চিকিৎসকরা কেউই ছুটি নিচ্ছেন না। ২৪ ঘণ্টা জরুরী বিভাগে ওই চিকিৎসকরা থাকবেন বলেও আশ্বস্ত করেছেন তিনি। এছাড়াও জেলাস্তরীয় মেডিক্যাল অফিসারদের বিশেষ প্রশিক্ষণ, জনসচেতনতামূলক প্রচার ও ছাতনা, বড়জোড়া ও ওন্দা সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালের পরিস্থিতির উপরে নজরদারি চালানো হচ্ছে বলেও তিনি জানান।
অন্য এক প্রশ্নের উত্তরে ডাঃ সরকার বলেন, এখনও পর্যন্ত বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ৬৬ জন অ্যাডিনো ভাইরাসে আক্রান্ত শিশু ভর্তি রয়েছে। এর মধ্যে ৮ জন ‘পিকু’তে ভর্তি রয়েছে। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি ভোরে ১ ও ৫ মাস বয়সী দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে তিনি জানান।
শুধু বাঁকুড়াতেই নয়, জেলায় জেলায় অ্যাডিনো ভাইরাসের আতঙ্কের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে নিউমোনিয়া, জ্বর-শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভোগা রোগীদের সংখ্যা।