কী বার্তা রাজ্যপালের?
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস বলেন, “মানুষের শান্তিতে বাঁচার অধিকার রয়েছে। যারা মানুষের শান্তি বিঘ্নিত করে, তাঁদের ছাড় নয়। দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যে কোনও মূল্যে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।” নৈরাজ্য সৃষ্টিকারীদের যে কোনওভাবেই রেয়াত করা হবে না, তা এদিন রাজ্যপালের বার্তায় আবারও স্পষ্ট হয়।
এদিকে, সোমবার দিনভর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও সোমবার রাত সাড়ে ৯টা থেকে ফের রিষড়াতে শুরু হয় গন্ডগোল। বোমবাজি করা হয় বলে অভিযোগ। স্টেশনে লোকাল ট্রেন দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়। পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয় এলাকায়। ঘটনার প্রভাব পড়ে হাওড়া-বর্ধমান মেন লাইনে। রাতে দীর্ঘক্ষণ ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। মঙ্গলবার সকালেও থমথমে পরিস্থিতি রিষড়ায়। শ্রীরামপুর এবং রিষড়ার কিছু অংশে জারি ১৪৪ ধারা। টহল দিচ্ছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। এদিনই ধরনায় বসার ঘোষণা করেছিলেন BJP রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। রিষড়াকাণ্ডে পুলিশের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছেন তিনি। এদিকে, জানা গিয়েছে, সুকান্ত ধরনায় বসার আগেই তাঁর মঞ্চ খুলে দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, রাজ্যে অশান্তির ঘটনা নিয়ে গত শুক্রবারই রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসকে ফোন করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যপালের থেকে খোঁজখবরও নেন বলে জানা গিয়েছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী রাজ্য সরকারকে নিশানা করেছিলেন। সরব হয়েছিলেন BJP-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কড়া বার্তা দিয়েছেন, “কোনও অশান্তির ঘটনা ঘটলে বরদাস্ত করা হবে না।”
