এই সময়:সব পক্ষই মানছেন, বেআইনি নির্মাণ। তার পরেও সেই নির্মাণ কেন ভাঙা হয়নি? এই প্রশ্ন তুলে জোড়াসাঁকোয় রবীন্দ্রভারতীর ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক দলের অফিস ভাঙার নির্দেশ দিল হাইকোর্ট। ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ ৪৫ দিনের মধ্যে রবীন্দ্রনাথের বাড়ি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের যাবতীয় বেআইনি নির্মাণ ভাঙতে নির্দেশ দিয়েছে।

Calcutta High Court : স্কুল আছে, ছাত্রছাত্রী আছে, পরীক্ষার আগে শিক্ষক কই!
ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি পুরসভাকে ভর্ৎসনা করে বলেন, ‘আগামিকালের মধ্যে ভাঙুন। বিশ্ববিদ্যালয় বা কেউ দাবি করেনি যে অনৈতিক নির্মাণ হয়নি। এতদিন ধরে কেন ফেলে রেখেছেন? দ্রুত বেআইনি নির্মাণ সরান। আপনারা যদি চোখ বন্ধ করে থাকেন, কী করে হবে? আপনারা শহরের অভিভাবক। ইচ্ছে থাকলে ছ’ঘণ্টার মধ্যে কাজ শুরু করা যায়।

Koustav Bagchi : রাজ্য পুলিশে অনাস্থা! কৌস্তভের নিরাপত্তায় এবার CISF, নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের
এই কাজে যাবতীয় খরচও পুরসভাকে করতে হবে। ওই জায়গা আগের অবস্থায় ফেরাতে হবে। বাড়ি ও ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক দলের লোগো খুলতে হবে। পুরসভার এক জন আর্কিটেক্ট যাবতীয় বিষয়টি দেখবেন। আশা করব, সৎ ও সচেতনতার সঙ্গে সবাই কাজ করবেন।’ মামলাকারীদের আইনজীবী শ্রীজীব চক্রবর্তী অভিযোগ করেন, গত বছর ২১ নভেম্বরই আদালত বেআইনি নির্মাণ ভাঙার নির্দেশ দিয়েছিল।

Calcutta High Court : ভুয়ো মাদক মামলায় ফাঁসানোয় দু’লাখ জরিমানা পুলিশকে
অনৈতিক ভাবে ভবন করা হয়েছে। যেখানে শাসকদলের মদতপুষ্ট পশ্চিমবঙ্গ শিক্ষাবন্ধু সমিতির অফিস রয়েছে। হেরিটেজ কমিশনের অনুমতি ছাড়াই নির্মাণ হয়েছে। আদালতের নির্দেশেও কাজ হয়নি। আগের পরিস্থিতিতে ফেরানো হয়নি। হেরিটেজ কমিটি রিপোর্ট জমা দিয়েছে। জোড়াসাঁকোর মার্বেল মেঝে ঠিক থাকলেও জানালা বদলানো হয়েছে।

DA Meeting Nabanna : DA বৈঠকে নবান্নে হাজির থাকতে পারবে সমস্ত সংগঠন, হাইকোর্টে জানাল রাজ্য
কলকাতা পুরনিগমের পক্ষে আইনজীবী অলোক ঘোষের বক্তব্য ছিল, আদালতের নির্দেশে কিছু কাজ হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় বাকি কাজ করবে। বেআইনি নির্মাণ ভেঙে ফেলার দায়িত্ব বিশ্ববিদ্যালয়েরই। যদিও আদালত পুরনিগমকেই সবার সহযোগিতা নিয়ে ভাঙার দায়িত্ব দেয়।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version