মঙ্গলবার উত্তরবঙ্গের কোচবিহার থেকে ‘তৃণমূলে নব জোয়ার’ নামে জনসংযোগ যাত্রা শুরু করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কোচবিহার থেকে ইতিমধ্যেই আলিপুরদুয়ারে পৌঁছে গিয়েছেন তৃণমূলের নম্বর টু। কুমারগ্রামের জনসভা থেকে ফের একবার মানুষের পঞ্চায়েত গঠনের দাবিকে সামনে রাখার পাশাপাশি বিজেপিকে আক্রমণ করেন অভিষেক।

Abhishek Banerjee : অভিষেক যেতেই TMC vs TMC! গোপন ব্যালট ছিনতাইয়ের অভিযোগে উত্তপ্ত সাহবেগঞ্জ-গোঁসানিমারি
নয়া কর্মসূচিতে পঞ্চায়েতের প্রার্থী ঠিক করতে গোপন ব্যালটে মানুষের মতামত নেওয়া কথা জানিয়েছিলেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক। কোচবিহারে অভিষেকের সভা শেষে ভোটদান ঘিরে একাধিক জায়গায় বিশৃঙ্খলা ছড়ায়। এমনকী ব্যালট বাক্স ছিনতাইয়ের অভিযোগ ওঠে। এদিন অভিষেক যখন সভাতে বক্তৃতা দিচ্ছিলেন, তখন দলীয় কর্মীদের একাংশকে ব্যালট পেপার বিতরণ করতে দেখা যায়। এই ঘটনায় খানিক বিরক্ত হন অভিষেক। সভামঞ্চ থেকে বলতে শোনা যায়, ‘এখন ব্যালট পেপার দেওয়া বন্ধ করুন। আমি ৫ মিনিটের মধ্যে শেষ করব। আমি এখান থেকে চলে যাওয়ার পর ব্যালট পেপার দেবেন সবাইকে।’

Abhishek Banerjee : ‘জানতাম এমন হবে!’ প্রার্থী বাছতে গোঁসামারিতে পুনর্নিবাচন ঘোষণা অভিষেকের
অভিষেকের কর্মসূচি ও তার আয়োজনের বিপুল খরচ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। এদিনের সভা থেকে সেই নিয়ে সুর চড়ান অভিষেক। তিনি বলেন, “বিরোধীরা বলছে ভোটের আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নাটক করছেন। আমি তাঁদের উদ্দেশে বলতে চাই, আমি ৬০ দিন রাস্তায় থাকব, আপনারা ৬ দিন রাস্তায় থাকুন। ঘর, বাড়ি, পরিবার ও সংসার ছেড়ে আপনারাও এই নাটক করে দেখান। আমি একদিনের জন্য কলকাত ফিরব না।”

অভিষেক বলেন, “২০১৯ সালে আপনারা এখান থেকে ভোট দিয়ে যাঁকে জিতিয়েছিলেন, জেতার পর তাঁর টিকি খুঁজে পাওয়া যায়নি। আপনারা এখান থেকে যাঁদের ভোট দিয়ে বিধায়ক ও সাংসদ করেছে, তাঁরা চিঠি লিখে কেন্দ্রকে বাংলার টাকা বন্ধ করে দেওয়ার কথা বলেছেন। আগামী দিন যখন ভোট দেবেন, নিজের অধিকারকে সামনে রেখে দেবে। পঞ্চায়েতের উন্নয়নকে সামনে রেখে দেবেন।”

Abhishek Banerjee : নেতাদের সুপারিশে যাঁরা টিকিট পাবেন বলে ভাবছেন, তাঁদের অসুবিধা হবে : অভিষেক
এদিন রাজ্য সরকারের জনমুখী প্রকল্পগুলি মানুষের কাছে তুলে ধরেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বারবার তৃণমূল নেতার মুখে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পেরপ নাম শোনা যায়। অভিষেক বলেন, “কেন্দ্রে কাছে সাড়ে সাত হাজার কোটি টাকা পাওনা রয়েছে রাজ্য সরকারের। বাংলায় হেরেছে, নিজের জ্বালা মেটাতে তাই মানুষের পিছনে লেগেছে। তৃণমূলের সঙ্গে পারছে না বলে মানুষকে হেনস্থা করছেন। বিজেপি নেতাদের বলব, আমাকে যত খুশি গালগাল দিন, তবে মানুষের উপর প্রতিশোধ নেবেন না।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version