Durgapur News : সিমকার্ড একটি। তার থেকে ফোন করা হয়েছে ১ লাখ ৩৬ বার। বেশিরভাগ ফোন কলের পেছনেই লুকিয়ে রয়েছে প্রতারণার ফাঁদ। সাইবার অপরাধে হাত পাকিয়েছিল দুর্গাপরের তিন যুবক। তাদের প্রশিক্ষণের দায়িত্বে ছিল বিহারের জামতাড়া গ্যাংয়ের মাস্টারমাইন্ডরা। টার্গেট এরিয়া ছিল দিল্লি। কথার প্যাঁচে ফেলে হাজার, হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ায় সিদ্ধহস্ত হয়ে উঠেছিল তারা। দুর্গাপুর থেকে তিনজনই গ্রেফতার দিল্লি পুলিশের হাতে।

Cyber Crime : অনলাইন প্রতারণায় লাখ টাকা খোয়ালেন প্রাক্তন পুলিশ কর্তার ছেলে, ঝাড়খন্ড থেকে গ্রেফতার মূল অভিযুক্ত
ধৃতদের নাম দীপঙ্কর আঁকুড়ে,অনিকেশ দাস ও অর্ঘ্য মজুমদার। ধৃতরা কোকওভেন থানার বীরভানপুর ও ডিপিএলের ক্ষুদিরাম কলোনির বাসিন্দা। অনলাইন প্রতারণায় তিন যুবকের কেরামতি দেখে জামতাড়া গ্যাংয়ের সঙ্গে তাদের যোগাযোগের ব্যাপারে নিশ্চিত হয় পুলিশ। প্রায় মাস খানেক ধরে তদন্ত চালিয়ে অবশেষে মঙ্গলবার তিন যুবককে দুর্গাপুর থেকে গ্রেফতার করে দিল্লি পুলিশের একটি বিশেষ তদন্তকারী টিম।

Fake Cbi Officer : ফের পুলিশের জালে ভুয়ো CBI অফিসার, তেহট্টে হাতেনাতে পাকড়াও যুবক
বন্ধুর সিমকার্ড নিয়ে ভুয়ো কল করে কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগে দিল্লি পুলিশের জালে দুর্গাপুরের এই তিন যুবক। ধৃতদের ৩ দিনের ট্রানজিট রিমান্ডে দিল্লি নিয়ে যায় পুলিশ। মঙ্গলবার তিন যুবককে গ্রেফতার করার পর বুধবার ধৃতদের দুর্গাপুর আদালতে পেশ করেছিল দিল্লি পুলিশ। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ধৃত দীপঙ্কর আঁকুড়ে ও অনিকেশ দাসের কাছ থেকে সিম কার্ড নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা চক্র চালাত অর্ঘ্য মজুমদার। দুটি সিম কার্ড থেকে প্রায় ১ লাখ ৩৬ হাজার ফোন কল করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

Fake Recruitment : চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে স্বাক্ষর জাল করে প্রতারণা, সল্টলেকে ধৃত ১৮
২০২৩ সালে ১১ই মার্চ দিল্লি সাইবার ক্রাইম থানায় আর্থিক প্রতারণার একটি অভিযোগ দায়ের হয়। সেই অভিযোগের তদন্তে নেমেই ধরা পড়ে এই তিন যুবক। প্রতারকদের বিরুদ্ধে ৪২০/১২০ বি ধারায় মামলা রুজু করে দিল্লি সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ। দিল্লি পুলিশের আধিকারিক জয়দেব মোড়ার নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি টিম গঠন করা হয় তদন্তের স্বার্থে। বিভিন্ন সূত্র মারফত খবর পেয়ে দুর্গাপুরে আসে তদন্তকারী টিম।

Online Fraud : আধাসেনা অফিসার জলের দরে দিচ্ছেন আসবাব, এসি!
দুর্গাপুরের কোকওভেন থানা এলাকা থেকে তিন যুবককে গ্রেফতার করা হয়। এই চক্রের সঙ্গে আরও কয়েকজন যুক্ত থাকতে পারে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে এ বিষয়ে দিল্লি পুলিশ মুখ খুলতে রাজি হয়নি। বাকিদের সন্ধানেও তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। ধৃতদের বিরুদ্ধে বহু টাকার প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে বলে জানান সরকারি আইনজীবী সিদ্ধার্থ বসু। জামতাড়া গ্যাঙের সঙ্গে মিলে তারা এই অপরাধ সংগঠিত করত বলে জানান সরকারি আইনজীবী।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version