রাজনাথ সিং যখন গৃহমন্ত্রী ছিলেন তখন সব থেকে বেশি গোরু পাচার হয়েছে।’ গোরু পাচারে BSF-এর যোগের সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্রের দিকেই নিশানা করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। শুক্রবার বহরমপুরে সাংবাদিক বৈঠক করে অধীরবাবু বলেন, ”গোরু আসে গোবলয় রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা থেকে। জাতীয় সড়কের উপর দিয়ে আসে। সেখান থেকে রাজ্যে ঢোকে। রাজ্য পুলিশের সীমানার উপর দিয়েই সীমান্তে বিএসএফের কাছে যায়। ফলে পুলিশ, BSF সব জানে। বিএসএফের এক আধিকারিক গোরু পাচার চক্রে তিহার জেলে রয়েছে।”Abhishek Banerjee : ‘বিজেপিকে উচিত শিক্ষা, কংগ্রেসকে যোগ্য জবাব’

পাশাপাশি অধীরবাবুর ইঙ্গিতপূর্ণ বিস্ফোরক মন্তব্য। তিনি বলেন, ”রাজনাথ সিং যখন গৃহমন্ত্রী ছিলেন তখন সব থেকে বেশি গোরু পাচার হয়েছে এই রাজ্যে। লক্ষ্য করবেন, রাজনাথ সিং এর বিরুদ্ধে এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কোনদিন মুখ খোলেননি। এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীও রাজনাথ সিংয়ের বিরুদ্ধে কিছু বলেননি।”

Mamata Banerjee : ‘ভোটার লিস্টে দয়া করে নাম তুলুন নইলে…’, মালদা থেকে আশঙ্কার কথা শোনালেন মমতা

অভিষেককেও আক্রমণ করতে ছাড়েননি প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। তিনি বলেন, ”খোকাবাবু (অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়) একা পারছেন না। খোকাবাবুকে পিছন থেকে শক্তি যোগাতে এখন দিদিমনি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) উড়ে,এসেছেন। তাতে আনাদের কোন প্রশ্ন নেই। মুখ্যমন্ত্রী যে হারে মানুষকে মিথ্যা বলছেন, বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন এখানেই আমাদের আপত্তি। ” পাশাপাশি অধীর বলেন, ”ভাঙনে যখন মানুষ ত্রাহি ত্রাহি রব করছিলেন তখন উনি কোথায় ছিলেন। আজ খরার সময় এসে ভাঙনের গল্প শোনাচ্ছেন।”

Adhir Ranjan Chowdhury: কংগ্রেসের চরম গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, মৃত মৃত্যুঞ্জয় বর্মনের বাড়ি থেকে ফেরার পথে হাতাহাতি-রক্তারক্তি

সাগরদিঘির নির্বাচন নিয়ে এদিন মুর্শিদাবাদের সভা থেকে নাম না করে বহরমপুরের সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরীর উদ্দেশে আক্রমণ শানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেন, ”মুর্শিদাবাদ অনেক বড় বড় নেতার জম্ম দিয়েছে কিন্তু কাজের সময় কারও পাত্তা মেলে না। সাগরদিঘিতে কার টাকা সব জানি।” সেই প্রসঙ্গে পালটা অধীরের জবাব। তিনি বলেন, ”সাগরদিঘি নির্বাচনের পর থেকে মুসলিম ভোট দিদির হাত ছাড়া হতে শুরু করেছে। তাই মালদা, মুর্শিদাবাদের সংখ্যালঘু মানুষদের বাগে আনতে চাইছেন। ওয়াকফ বোর্ডের গল্প শোনাচ্ছেন। ফের এনআরসি,নাগরিক আইনের ভয় দেখিয়ে মুসলিমদের পাশে থাকার চেষ্টা করছেন। ভোট এলে এনআরসি, নাগরিক আইন আবারে বাজারে বিক্রি হবে। তাতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আমি নিজে বাংলাদেশি। পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে অমিত শাহকে চ্যালেঞ্জ করে বলেছিলাম ক্ষমতা থাকলে আমাকে তাড়িয়ে দেখান। বিজেপি শাসিত ১৮টি রাজ্যে এনআরসি, নাগরিক আইন জেন চালু হয়নি। এনআরসি, নাগরিক আইন নির্বাচনের হাতিয়ার।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version