বিমান চাপতে অভিবাসন দফতরের বাধা পেয়ে সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে তিনি বাড়ি ফিরে আসেন বলে সূত্রের খবর। বিমানবন্দর সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকাল ৭টা নাগাদ দুই সন্তাকে সঙ্গে নিয়ে দুবাই যাওয়ার উদ্দেশে বিমানবন্দরে আসেন রুজিরা। ইমিগ্রেশনের সময় তাঁকে বাধা দেন অভিবাসন দফতরের আধিকারিকরা। তিনি বিদেশ যেতে পারবেন না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়।
কেন তাঁকে বাধা দেওয়া হল সেই নিয়ে এখনও স্পষ্ট করে কিছু জানা যায়নি। সূত্রের খবর, ইডির একটি মামলায় রুজিরা নামে লুকআউট নোটিশ জারি হয়েছে। সেই কারণে তাঁকে বিদেশ যেতে বাধা দেওয়া হয়। বিমানে উঠতে বাধা দেওয়ায় বেশ কিছুক্ষণ বিমানবন্দরে তিনি অপেক্ষা করেন। অভিবাসন দফতরের আধিকারিকরদের সঙ্গে কথাও বলেও। কিন্তু তাসত্ত্বেও তাঁকে দুবাই যাওয়ার অনুমতি দেয়নি অভিবাসন দফতর। এরপর রেজিস্টারে সই করে বিমানবন্দর ছাড়েন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের স্ত্রী। অভিষেকের পরিবার সূত্রে খবর, এই ঘটনায় তারা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হবেন।
এই প্রসঙ্গে তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ একটি বেসরকারি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে রাজনীতিতে না পেরে এই কাজ করা হয়েছে। অভিষেকের জনপ্রিয়তাকে ভয় পেয়ে তাঁর পরিবারকে কলুষিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এটা রাজনৈতিক দেউলিয়পনা ছাড়া আর কিছু নয়।’
তৃণমূল মুখপাত্র তথা রাজ্যসভার সাংসদ শান্তনু সেন বলেন, ‘মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে এই কাজ করা হয়েছে। অভিষেকের নবজোয়ার জনজোয়ারে পরিণত হতে দেখে বিজেপি ভয় পেয়েছে। সেই কারণেত তাঁকে সিবিআই দিয়ে হেনস্থার চেষ্টা হয়েছিল। এখন তাঁর পরিবারকে আটকে বিব্রত করার চেষ্টা হচ্ছে। এর বিরুদ্ধে আইনি লড়াই চলবে। মানুষ ভোটবাক্সে এর জবাব দেবে।’
কয়লা পাচারকাণ্ডে অতীতে একাধিকবার ইডির জেরার মুখে পড়তে হয় রুজিরাকে। এমনকী রুজিরা দিল্লির ইডি সদর দফতরেও তলব করা হয়। কিন্তু সেখানে হাজিরা দেননি তৃণমূল সাংসদের স্ত্রী। সল্টলেকের সিজিও কম্পলেক্সে ইডির জেরার মুখোমুখি হন তিনি। এমনকী অভিষেকের বাড়িতে গিয়েও রুজিরাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই।