Balasore Train Accident : শ্মশানে একসঙ্গেই পাশাপাশি পুড়ল চার বন্ধুর দেহ! – khejuri five youth lost life at coromandel express accident


এই সময়, খেজুরি: কাজের খোঁজে চেন্নাই রওনা দিয়েছিলেন পাঁচ বন্ধু। ঘরে ফিরলেন সকলেই। তবে কফিনবন্দি হয়ে। আর তার পর চার বন্ধু শ্মশানে পুড়লেন পাশাপাশি। শেষ যাত্রায়ও বন্ধুত্ব রইল অটুট।

সুমন প্রধান, নন্দন প্রধান, শঙ্কর প্রধান, ভোলানাথ গিরি ও রাজীব ডাকুয়া। রাজীব ছাড়া এঁদের সকলেরই বাড়ি খেজুরির বোগা গ্রামে। রাজীবের বাড়ি পাশের গ্রাম শ্যামপুরে। অভিশপ্ত করমণ্ডল এক্সেপ্রেসে একই কামরায় সওয়ার হয়েছিলেন পাঁচ জন। সকলেরই বয়স ২৫-৩০। সোমবার ভোরে কফিনবন্দি দেহগুলি গ্রামে ফিরতেই চার দিকে শুধু কান্নার রোল। শোকস্তব্ধ পুরো এলাকা।

Purba Medinipur News : করমণ্ডল বিপর্যয়ের বলি ৪ তরতাজা প্রাণ, দেহ ফিরতেই চোখে জল গোটা গ্রামের
দুর্ঘটনার পর থেকে ৫ জনের খোঁজ না পেয়ে শনিবার বালেশ্বর রওনা দেন পরিবারের লোকেরা। রবিবার বালেশ্বরের মর্গে ৫ বন্ধুর দেহ শনাক্ত হয়। সে খবর পৌঁছে যায় গ্রামে। তাই সোমবার ভোররাত থেকেই ভিড় জমেছিল রাস্তার দু’ধারে। সবাই শেষ দেখা দেখতে চান।

Odisha Train Accident : ক্লাসরুম ভর্তি থরে থরে লাশ
ছেলের দেহ গ্রামে পৌঁছতেই দুর্ঘটনায় মৃত শঙ্করের প্যারালিসিস আক্রান্ত বাবা রঘুনাথ প্রধান শুধু কেঁদেই চলেছেন। সুমনের বাবা সুভাষ প্রধান বারবার বলে চলেছেন, “বলেছিলাম দূরে কাজ খুঁজতে যাস না। শুনলো না ছেলেটা।”

রাজীব ডাকুয়ার মা ছবি ডাকুয়া কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, “এ বছর ছেলের বিয়ে দেব ঠিক করেছিলাম। সব শেষ।” দুর্ঘটনার খবর পেয়েও পরিবারের লোকেরা ভেবেছিলেন, অন্য অনেকেই তো ফিরে এসেছে। দেরি হলেও হয়তো ঘরের ছেলেরা ঘরে ফিরবে।

Odisha Train Accident : ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত মাশরেকুলের কফিনবন্দি মরদেহ ফিরল গ্রামে, শোকের ছায়া মালদায়
কিন্তু রবিবার বিকেলে মৃতদেহ শনাক্তকরণের খবর ছড়িয়ে পড়েতই থমথমে গোটা গ্রাম। হাঁড়ি চড়েনি কোনও বাড়িতেই। পরিবারের লোকেরা সিদ্ধান্ত নেন পাশাপাশি ৪টি চিতায় দাহ করা হবে সুমন, শঙ্কর, নন্দন, ভোলানাথকে। আর রাজীবকে তাঁর গ্রামের শ্মশানে। স্বজনহারাদের কান্না, হরিধ্বনি, খোল করতালের শব্দের মধ্যে ছাই হয়ে গেল ৫ বন্ধুর দেহ। একসঙ্গেই…



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *