আবেদনকারীর আইনজীবী সুবীর সান্যাল আদালতে দাবি করেন, হাওড়া পুরসভার চুক্তভিত্তিক ডাটা এন্ট্রি অপারেটরদের পোলিং অফিসাররের কাজে লাগিয়ে নির্বাচন করা হয়েছে। সেই তথ্য আদালতে তুলে ধরেন তিনি। তাঁর আরও দাবি, চুক্তি ভিত্তিক কর্মচারীদের নির্বাচনের কাজে লাগানো যায় না।
এই মামলা প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতি বলেন, “এখন সমস্ত জায়গায় ৯০ শতাংশ চুক্তিভিত্তিক কর্মী। সেক্ষেত্রে স্থায়ী কর্মীদের সংখ্যা কম হলে কী করা যাবে।” এই মামলার প্রেক্ষিতেই এবার নির্বাচনের কাজে চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের ব্যবহার নিয়ে কমিশনের ঠিক কী অবস্থান তা জানতে চাইল কলকাতা হাইকোর্ট।
দোরগোড়ায় পঞ্চায়েত নির্বাচন। এখনও পর্যন্ত নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়নি। তবে প্রচার ময়দানে সক্রিয় সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলিই। ইতিমধ্যেই রাজ্যজুড়ে ‘তৃণমূলে নবজোয়ার কর্মসূচি’ নিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। জেলায় জেলায় গিয়ে তিনি জনসংযোগ করছেন। অন্যদিকে, সক্রিয় BJP সহ অন্যান্য বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিও।
এখনও নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়নি। কিন্তু, প্রশাসনিক মহলে ভোটের আগে শুরু হয়েছে তোড়জোড়। এখনও বহু জেলায় ভোট কর্মী বাছাই করার কাজ পুরোপুরি শেষ হয়নি বলে সূত্রের খবর। উল্লেখ্য, কারা পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন সেই প্রসঙ্গে একটি বিস্তারিত নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। পাশাপশি কারা ভোটকর্মী হতে চলেছেন সেই সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাজ্য সরকার, কেন্দ্র সরকার, সরকার অধিগৃহীত কোনও সংস্থা, স্কুল, কলেজ, পুরসভার কর্মী, শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীদের বেছে নেওয়া যেতে পারে। জানা গিয়েছে, এরপরেই ভোটকর্মী কারা হবেন? তা চিহ্নিত করার কাজ শুরু করে জেলা প্রশাসন।
উল্লেখ্য, রাজ্যে কবে পঞ্চায়েত নির্বাচন? এই প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে সম্প্রতি এই সময় ডিজিটালকে রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এখনও নির্বাচনের দিনক্ষণ নিশ্চিত করা হয়নি। যদিও প্রচার নিয়ে খামতি রাখতে নারাজ কোনও রাজনৈতিক দলই।
ময়দানে নেমে প্রচার-জনসংযোগ করছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা। সূত্রের খবর, ১৩ অগাস্ট পর্যন্ত পঞ্চায়েতের মেয়াদ বহাল থাকছে। আর এই মেয়াদ শেষ হওয়ার মধ্যেই ভোট করাতে হবে, এমনটাই বলছে নিয়ম।