পাশাপাশি, হড়পা বানের সতর্ক বার্তা দিয়েছে কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতর। পরিস্থিতি মোকাবেলায় ডুবুরি নিয়ে প্রস্তুত সিভিল ডিফেন্স, স্ট্যান্ডবাই মোডে এনডিআরএফ কর্মীরাও। গত কয়েক দিন ধরে আরও শক্তিশালী হয়ে সিকিম সহ উত্তরবঙ্গের আকাশ দাপিয়ে বেড়াচ্ছে বর্ষা।
আবহাওয়া দফতর থেকে পাওয়া খবর অনুযায়ী রবিবার রাত থেকে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত জলপাইগুড়ি এবং ডুয়ার্সের বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ, সেবক- ১৮১.৮ মিলিমিটার, জলপাইগুড়ি- ৬২.৬, আলিপুরদুয়ার -১৪০.২, কোচবিহার- ৫৫.৪, ধুপগুড়ি – ৬৪.৮, বাগরাকোট-১৪৫.৮, বক্সা-৯৬.২, কুমারগ্রাম-১৫৮.২, নাগরাকাটা- ২০৬.০, ডায়না- ১৯৯.০, বারোভিষা- ১৭৪.০ এবং ফালাকাটায় ৯৮.২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।
এই মুহূর্তে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য চারটি স্পিড বোট, কুড়ি জন ডুবুরি সহ বিভিন্ন স্থানে দেশি নৌকা নিয়ে প্রস্তুত রয়েছে জলপাইগুড়ি জেলা প্রশাসন। জলমগ্ন এলাকা থেকে জন্য সাধারণকে রক্ষার্থে প্রশাসন সজাগ রয়েছে বলে জেলা প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে।
বর্ষার শুরু থেকেই নদীর জলস্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় আতঙ্কে রয়েছে উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলার বাসিন্দারা। বৃষ্টির ফলে তিস্তা, জলঢাকা সহ বেশ কয়েকটি নদীর জল বাড়তে শুরু করেছে ইতিমধ্যেই। গত বছর বন্যার কথা মাথায় রেখেই এ বছর আগেভাগেই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে জেলা প্রশাসন।
উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে টানা বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনার কথা আগেই জানিয়েছিল আবহাওয়া দফতর। কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি সহ ডুয়ার্স বিস্তীর্ণ অঞ্চলে বৃষ্টির পূর্বাভাস ছিল। জলপাইগুড়ি জেলার পাশাপাশি আলিপুরদুয়ার জেলাতেও শেষ দুদিন ধরে টানা বৃষ্টিপাত চলছে।
আলিপুরদুয়ার শহরের বেশকিছু ওয়ার্ড রবিবার জলমগ্ন রয়েছে, পুরসভার ৮, ৯, ১৫, ১৮ নং ওয়ার্ডের জল জমতে দেখা যায়। জল জমে যাওয়ার কারণে নিকাশি ব্যবস্থার কাজ দ্রুত করতে আলিপুরদুয়ার শহর লাগোয়া নদী বাঁধের কাছে ৩ টি শক্তিশালী মোটর বসিয়েছিল পুরসভা। এর পাশাপাশি বিভিন্ন নদী গুলির উপরে নজর রাখা হচ্ছে।
