Bandel Suicide Case : মেঝেতে ছড়িয়ে মদের বোতল! সিলিং থেকে ঝুলছে দেহ, ব্যান্ডেলে যুবকের মৃত্যুতে প্রেমিকা যোগ? – hooghly bandel young boy handing body recovery police investigating love connection


ঘরের মেঝেতে হুক্কা, মদের বোতল ছড়ান, মোবাইল ফোনটা বেজেই চলেছে। মা ফোন করছেন ছেলেকে। কিন্তু ছেলে ফোন ধরছে না। দুশ্চিন্তায় বাড়ির লোক খোঁজ নিতে গিয়ে দেখেন, সিলিং থেকে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলছে ছেলে। ঘটনাটি ঘটেছে ব্যান্ডেলের ২ নম্বর গান্ধী কলোনীতে। প্রেমিকার সঙ্গে মনোমালিন্যের কারণেই এই ঘটনা কি না, খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

Indore Crime : হাতখরচের ২ হাজার টাকা না দেওয়ায় হল কাল, বাবাকে খুন মাদকাসক্ত ছেলের
বাড়ি ভাড়া নিয়েছিলেন ব্যান্ডেলে
মৃত যুবকের নাম রঞ্জিত মালিক। বাড়ি হুগলির দাদপুরের বাদিনানে। একটি অনলাইন বিপণীর সেলসে চাকরি করতেন ওই যুবক। বছর দুয়েক আগে ব্যান্ডেলের ২ নম্বর গান্ধী কলোনীতে একটি বাড়ি ভাড়া নেন। অফিসেরই এক তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল রঞ্জিতের। এমনকী তাঁর ভাড়া বাড়িতেও যাতায়াত ছিল ওই তরুণীর। ঘরের দেওয়ালে রঞ্জিত আর তাঁর প্রেমিকার একাধিক পোজের ছবির কোলাজও টাঙানো রয়েছে। তবে গত কয়েকদিন ধরে ওই তরুণীর সঙ্গে কিছু একটা সমস্যা হয়েছিল রঞ্জিতের। বিষয়টি নিজের মাকেও জানিয়েছিলেন রঞ্জিত। ছেলের মন খারাপ জেনে, তাঁকে নিতে ব্যান্ডেলের বাড়িতে পৌঁছান তাঁর বাবা অনিল মালিক। সেখানে গিয়েই সব জানতে পারেন।

Kestopur Murder Case : কেষ্টপুরে আবাসন থেকে মা-মেয়ের মৃতদেহ উদ্ধার, বাড়ছে রহস্য
ভাল বেতন পেতেন রঞ্জিত
এই প্রসঙ্গে রঞ্জিতের বাবা অনিল মালিক বলেন, ‘ছেলে ভাল মাইনে পেত। কোনও সমস্যা ছিল না।গত কয়েকদিন ধরে ওর মাকে বলছিল, ওই তরুনীর সঙ্গে কিছু সমস্যা চলছে। কী হয়েছে তা জানি না। ছেলের মন খারাপ বুঝতে পেরে আমরা আজ ব্যান্ডেলে আসি। আমরা আসব সে কথা ছেলেকে জানাইনি। রঞ্জিতের কাজের জন্য বাড়িতে থাকার ঠিক থাকে না। শ্রীরামপুর, ডানকুনি সহ বিভিন্ন জায়গায় যেতে হয়। আজ বাড়িতে আছে কি না জানতে ফোন করি। ফোন ধরেনি। বেশ কয়েকবার ফোন করেও না পেয়ে ওর বাড়িওয়ালাকে বলি এলবার দেখতে। বাড়িওয়ালা দেখে জানান দরজা বন্ধ। তারপর পুলিশ এল। ছেলেকে বাড়ি নিয়ে যেতে এসেছিলাম। কী যে হল!’

Coromandel Express Loco Pilot News : করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনার পর কোথায় ট্রেনের চালক? হন্যে হয়ে ছেলেকে দেখতে চাইছে পরিবার
বাড়িওয়ালার মেয়ে শর্মিষ্ঠা ঘোষ বলেন, ‘ওর বন্ধুরা মাঝেমধ্যে বাড়িতে আসতো গল্প গুজব করত। সন্ধ্যেবেলায় ওর বাবা ফোন করার পর আমরা জানতে পারি দরজা খুলছে না। এমনিতে খুব ভাল ছেলে ছিল, হাসি খুশি থাকত।’ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা ভেঙে দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য চুঁচুড়া ইমামবাড়া সদর হাসপাতালে পাঠান হয়েছে। ঘটনায় শোকের ছায়া গোটা পরিবারে। ভেঙে পড়েছেন রঞ্জিতের বাবা মা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *