জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: কোচবিহারে রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। তাঁর সঙ্গে সার্কিট হাউজে দেখা করলেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন অন্য বিজেপি নেতৃত্বরাও। শাসকদলের বিরুদ্ধে নালিশ জানাতেই রাজ্যপালের দ্বারস্থ বিরোধী নেতৃত্ব। পঞ্চায়েত ভোটের আগে মনোনয়ন পর্ব থেকেই অশান্তি, হিংসা চালানোর অভিযোগ শাসকদলের বিরুদ্ধে। 

তাঁদের অভিযোগ, কোচবিহার জেলা জুড়ে সন্ত্রাস চালাচ্ছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। শাসকদলের হার্মাদরা অকথ্য অত্যাচার চালাচ্ছে। সমগ্র কোচবিহার জুড়েই অশান্তির বাতাবরণ বলে তোপ দাগেন নিশীথ প্রামাণিক। তাঁর নেতৃত্বে বিজেপির ৫ সদস্যের প্রতিনিধি দল দেখা করেন রাজ্যপালের সঙ্গে। পাশাপাশি, রাজ্যপালের কাছে নালিশ জানাতে উপস্থিত বিরোধী প্রার্থীরাও।

প্রসঙ্গত, রাজ্যপাল আগেই বলেছেন, ঘরে চুপ করে বসে থাকবেন না। ভোটের মুখে যেখানেই অশান্তি দেখবেন, ছুটে যাবেন। উল্লেখ্য, ভোটমুখী কোচবিহারে অশান্তি লেগেই আছে। গুলি চলেছে। রক্ত ঝরেছে। প্রাণহানিও ঘটেছে কোচবিহারে। গ্রাউন্ড জিরোর পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে আজ দিনহাটাতেও যাবেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। যদিও, এক্ষেত্রে বিজেপির দিকেই উঠেছে অভিযোগের আঙুল!

পঞ্চায়েত ভোটের ঘোষণার পর থেকেই উত্তপ্ত দিনহাটা। ভোটে প্রচারে তখন কোচবিহারে ছিলেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী। দিনহাটার ভেটাগুড়ি ২ নম্বর অঞ্চলে ‘আক্রান্ত’ হন তৃণমূল নেতা সুনীল রায় ও দলের কর্মীরা। ব্যবধান ঘণ্টা দেড়েকের। ভেটাগুড়িরই সিঙ্গিজানি এলাকায় তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির প্রার্থী নির্মল বর্মন বাড়ি ও গাড়িতে আবার ভাঙচুর চলে! যেখানে অভিযোগের আঙুল ওঠে বিজেপির দিকে।

পাশাপাশি দিনহাটার-ই গীতলদহ এলাকায় খুন হয়ে গিয়েছেন এক তৃণমূলকর্মী। অভিযোগ, সকালে প্রচারে সেরে যখন বাড়ি ফিরছিলেন, তখন তাঁকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথারি কোপ মারে দুষ্কৃতীরা। গুলি চালায়। জখম হন ৮ জন তৃণমূলকর্মী। রাতে আবার গুলিবিদ্ধ হন গীতালদহ ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রার্থী ও বিদায়ী প্রধান লাভলি বিবির ভাই।

আরও পড়ুন, Sabang: ছেলের মৃত্যুর জন্য দায়ী কে? মুখ খুললেন বিজেপি কর্মী দীপক সামন্তর মা!

(Zee 24 Ghanta App দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির লেটেস্ট খবর পড়তে ডাউনলোড করুন Zee 24 Ghanta App) 





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version