Panchayat Nirbachan : পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচারে গিয়ে এর আগে একাধিকবার জনরোষের মুখে পড়তে দেখা গিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের তারকা প্রার্থী শতাব্দী রায়কে। এবার বিক্ষোভের মুখে পড়তে হল বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়কে। “আগে আসেন নি কেন? ভোট এসেছে তাই এসেছেন?” পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচারে গিয়ে গ্রামবাসীদের প্রশ্নের মুখে বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। উন্নয়ন নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়ে শাসকের ঘাড়ে দায় চাপালেন সাংসদ। পাল্টা সাংসদকে কটাক্ষ করল তৃণমূল।

WB Panchayat Election : &amp#39;বাংলায় কুস্তি, পাটনায় দোস্তি&amp#39;, বিহারে তৃণমূল-কংগ্রেস সহাবস্থানকে কটাক্ষ লকেটের
রবিবার পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচারে একাধিক প্রার্থীর সমর্থনে সিঙ্গুরে বিভিন্ন গ্রামে প্রচারে যান লকেট। আথালিয়া গ্রামে লকেট পৌঁছতেই জড়ো হন গ্রামের মানুষ। সাধারণ মানুষের অভিযোগ শুনছিলেন সাংসদ। প্রবীণ ব্যক্তিরা বার্ধক্য ভাতা পাননি, অনেকে ঘর পাননি সেই ক্ষোভের কথা শোনাচ্ছিলেন সাংসদকে।
গ্রামের মানুষের অভিযোগ শোনার পর শাসকের ঘাড়ে যখন দোষ চাপাচ্ছিলেন তিনি। সেই সময় প্রবীন এক ব্যক্তি লকেটের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছোড়েন, “ভোটের সময় এসে বললে হবে না..আগে থেকে এসব খোঁজ খবর নিতে হয়, শুধু ভোটের সময় বললে হয় না।”

Dhaniakhali Panchayat Election : বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ধনিয়াখালি পঞ্চায়েত সমিতি তৃণমূলের দখলে, সন্ত্রাসের অভিযোগ বিরোধীদের
উত্তরে লকেট বলেন, “এখন তৃণমূল সরকার চলছে।” লকেটকে পাল্টা বৃদ্ধ বলেন, “তৃণমূল সরকার চালাক, কিন্তু বিজেপি, সিপিএমের তো দেখা দরকার ছিল।
গ্রামবাসীদের অভিযোগ, এলাকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে সরকারি আবাস যোজনায় ঘর পায়নি। বার্ধক্য ভাতা পান না। এছাড়াও বহু সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত এলাকার বহু মানুষ।

Locket Chatterjee : পাণ্ডুয়া BDO অফিসে ঢুকতে বাধা, পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়ালেন BJP সাংসদ লকেট
লকেট গ্ৰামবাসীদের ক্ষোভ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের বলেন, “এটা ওদের স্বাভাবিক‌ প্রতিক্রিয়া। ওরা ভাবছে সাংসদ আছে, সব হয়ে যাবে। কিন্তু তারা জানে না সমস্ত কেন্দ্রীয় প্রকল্প রাজ্য সরকারের হাত দিয়ে আসে। তারা পাচ্ছে না এবং তাদের ভুল বোঝানো হচ্ছে।” তাঁর দাবি, তাঁদের বোঝানো হয়েছে এগুলো আমাদের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। যতক্ষন না আমাদের সরকার আসছে ততক্ষণ আমরা যারা সাংসদ আছি কাজ করতে পারবো না।

Locket Chatterjee: ‘এ তো ট্রেলার, পঞ্চায়েত ভোট সিনেমা!’

ভোটের আগে কেন এসেছেন গ্রামবাসীদের সেই ক্ষোভ প্রসঙ্গে সাংসদ আরও জানান, ওনাদের ক্ষোভটা আসলে আমাদের উপর নয়। ভোটের আগে এসেছি বলে ক্ষোভ নয়। ক্ষোভটা হচ্ছে এখানে কোনও উন্নয়ন হয়নি বলে। এখানে একটা লাইট লাগানোর জন্য অনেক লড়াই করতে হয়, গ্ৰামবাসীরা তার জানে না।
যদিও সিঙ্গুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি গোবিন্দ ধারা বলেন, “লোকসভা ভোটের আগে একাধিক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু দু-একটা লাইট ছাড়া কোনওটাই তিনি কার্যকারী করেননি।” তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিজেপি নেত্রীর তোলা অভিযোগকে খণ্ডন করে তিনি বলেন, “তৃণমূল সদস্যরা কাজ করেনি এ কথা কেউ বলতে পারবে না উন্নয়ন যথেষ্টই হয়েছে। ঘর না পাওয়া কেন্দ্রীয় সরকারের বিষয় আর বার্ধক্য ভাতা কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যাপার তাঁরাও কোনও টাকা দেয়নি।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version