বাগডোগরা থেকে কলকাতা ফিরে চিকিৎসার জন্য সরাসরি এসএসকেএম হাসপাতালে যান মমতা। মুখ্যমন্ত্রীর বাঁ পায়ে আঘাত লেগেছে। চিকিৎসকদের অনুরোধ সত্ত্বেও হাসপাতালে ভর্তি হননি মমতা। বাড়িতেই চিকিৎসা করানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি। এসএসকেএমের চিকিৎসকরা তাঁকে বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন।
আহত হওয়ার পর থেকে মমতাকে এখনও অবধি বাড়ির বাইরে বেরোতে দেখা যায়নি। কেমন আছেন তৃণমূলের সর্বময় নেত্রী? ফোনে দুবরাজপুরের সভায় বক্তব্য রাখার সময় নিজের শারীরিক অবস্থার কথা জানালেন খোদ মমতাই। মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের ফোনে বক্তব্য রাখার সময় মমতা বলেন, ‘আমার পায়ে চোট লেগেছে। আর আট-দশদিন পর আমি বাইরে বেরোতে পারব। আমাকে এখনই চার ঘণ্টা থেরাপি করাতে হবে। আপনারা একদম চিন্তা করবেন না। আমরা হাঁটু ও কোমরে চোট রয়েছে। থেরাপি করতে হবে। ছোটো খাটো অপারেশন করতে হবে। এগুলো করে আমি জলদি বাইরে বেরোব। আমি মানসিক ও শারীরিকভাবে সুস্থ। নামতে গিয়ে চোট পেয়েছি। জানি না এর মধ্যে অন্য কিছু আছে কি না।’
বীরভূমের সভা থেকে এদিন তিহাড় জেলে বন্দি অনুব্রত মণ্ডলকে নিয়েও মুখ খোলেন মমতা। তাঁর দাবি অনুব্রত যাতে দল না করতে পারে সেই কারণে কোনও প্রমাণ ছাড়াই তাঁকে জেলে বন্দি করে রাখা হয়েছে। মমতা বলেন, ‘কেষ্টর পাশাপাশি ওঁর মেয়েকেও আটকে রেখেছে। কেষ্ট কোনও অপরাধ করতে থাকলে প্রমাণ করুক। কিন্তু আদালতে প্রমাণ করতে পারছে না। তৃণমূল যাতে না করতে পারে সেই কারণে কেষ্টকে বন্দি করে রাখা হয়েছে।’
কেন্দ্রীয় সরকার কোনও প্রকল্পের টাকা দিচ্ছে না বলেও দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, তৃণমূল সরকার রাজ্যের সব মানুষের জন্য উন্নয়ন করেছে। ‘কাটমানি’ ইস্যুতে এদিন ফের সাধারণ মানুষকে সতর্ক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বলেন, ‘সরকার সাধারণ মানুষের জন্য প্রকল্প চালু করেছে। এগুলি পেতে আপনাদের কাউকে টাকা দিতে হবে না। কেউ যদি টাকা চায়, তবে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করে জানান। আমরা ব্যবস্থা নেব।’
