রাত পোহালেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সেরে নিচ্ছে সমস্ত রাজনৈতিক দল। ভোট ম্যানেজারদের খাওয়াদাওয়ার যাতে কোনও অসুবিধা না হয় সেই দিকে খেয়াল রাখছে সবপক্ষই। দৈনিক সংবাদপত্র বর্তমানে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, নির্বাচনের দিন বিশেষত রাজারহাট অঞ্চলে দলের ভোট কর্মী ও ভোট ম্যানেজারদের খাতিরদারিতে বিরিয়ানির ব্যবস্থা রাখছে তৃণমূল কংগ্রেস। জানা গিয়েছে রাজারহাট অঞ্চলের ৫টি পঞ্চায়েতে বিতরণ হবে প্রায় ২ হাজার প্যাকেট চিকেনবন্দি। ভোটের দুপুরে মধ্যাহ্নভোজে পেট ভরাতে তৃণমূল মূলত জোর দিচ্ছে আলু দেওয়া শাহী চিকেন বিরিয়ানিতে।

Panchayat Election in West Bengal : তারকায় বড় ঝক্কি, ভরসা তাই মেঠো রাজনীতিকেই
এই প্রসঙ্গে বিষ্ণুপুর ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল নেতা রক্তিম কর জানান, কর্মীদের শরীর ঠিক রাখতে সরু চালের ভাত এবং আলু দিয়ে মাংসের ঝোলের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পাশাপাশি সোমনাথ মণ্ডল নামে এক তৃণমূল নেতা বলেন, এই ক’দিন দুপুরে কর্মীদের সিদ্ধ ডিম খাওয়ানো হয়েছে। তবে ভোটের দিন চিকেন বিরিয়ানি খাওয়ানো হবে। তৃণমূলের বেশিরভাগ নেতারই মত, বর্ষার এই মরসুমে জমে উঠবে বিরিয়ানিই। তবে শুধু বিরিয়ানি নয়, বুথের দায়িত্বপ্রাপ্তরা নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী খাবারের ব্যবস্থা করবেন বলেই জানা যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে সাদাভাত, ফ্রায়েড রাইস, আলুর দম, কচুরির মতো খাবার থাকতে পারে পাতে।

Mamata Banerjee : ‘কেষ্টকে আটকে রেখেছে যাতে…’, জেলবন্দি অনুব্রত প্রসঙ্গে বিস্ফোরক মমতা
বাম-বিজেপির মেনুতে কী?
আবার বিষ্ণুপুর ২ নম্বর পঞ্চায়েতে বিজেপি নেতা অরুণাভ ঘোষ জানান তাঁদের মেনুতে থাকছে পনির ও ফ্রায়েড রাইস। আবার বিজেপির এক নেত্রী তাপসী মণ্ডল বলেন, সন্ত্রাস আটকাতে ভোট না মেটা পর্যন্ত কর্মীরা বুথ আঁকড়ে বসে থাকবেন। আর সেসময় কর্মীদের জন্য থাকবে কেক, পাঁউরুটি, কলা। আবার সিপিএম নেতারা জানাচ্ছেন, তাঁদের কর্মীদের জন্য রুটি ও আলুরদম বা কচুরি রাখা হতে পারে। সঙ্গে থাকবে মিষ্টি।

Panchayat Election : নির্বাচনের মুখেই পাড়ায় পাড়ায় মাংস-ভাতের এলাহি আয়োজন! ভোট কেনার কৌশল? গুঞ্জন নদিয়ায়
কেনাকাটা শুরু

যে দলের মেনুতে যাই থাকুক না কেন, ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে কেনাকাটা। তার জন্য দোকানে সামগ্রী মজুত করে রেখেছেন ব্যবসায়ীরাও। সূত্রের খবর, ভোট উপলক্ষে অন্যান্য সময়ের তুলনায় বেশি করে মুরগি মজুদ রাখছেন মাংস বিক্রেতারা। পাশাপাশি ভাল মানের চাল, বিরিয়ানি মশলা ও অন্যান্য উপকরণও বিক্রিও হচ্ছে ব্যাপকভাবে। রান্নার ঠাকুররাও কোমর বেঁধে তৈরি হয়ে গিয়েছেন। প্রস্তুত রাখা হয়েছে বড় বড় হাঁড়ি। সেক্ষেত্রে ভোটের দুপুরে বিরিয়ানের গন্ধে যে গোটা রাজারহাট চত্বর যে ম ম করবে তা আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version