এদিন বিকেল চারটে নাগাদ হাওড়া পিলখানা কাজীপাড়ার কাছে জিটি রোড অবরোধ করে BJP কর্মী সমর্থকরা। রাজ্য জুড়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনে শাসক দলের বেলাগাম হিংসা, খুন ও বোমা গুলির সন্ত্রাসের প্রতিবাদে BJP -র এই পথ অবরোধ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি বলে জানানো হয়। আলিপুরদুয়ারে কালচিনি ব্লকের বুকিনবাড়ি এলাকায় ১১/১৭১ নম্বর বুথে পুনঃনির্বাচনের দাবিতে সরব হন BJP কর্মী সমর্থকরা।
রবিবার কয়েকশো BJP কর্মী সমর্থকরা র্যালি করে কালচিনি ডিসিআরসি সেন্টারের উদ্দেশ্যে রওনা হন। এক BJP কর্মী অভিযোগ করে বলেন, ‘গতকাল ভোটদানের সময়সীমা পার হওয়ার পর ভোট কেন্দ্রের দরজা বন্ধ করে ব্যাপক ছাপ্পা ভোট দেয় তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা।’ যার প্রতিবাদে এদিন সরব হন BJP কর্মী ও নেতৃত্বরা। এরপর কালচিনি BDO অফিসে বিক্ষোভ দেখান BJP কর্মী ও সমর্থকরা।
রবিবার নৈহাটিতে পথে নামে BJP-র যুব মোর্চা। এদিন নৈহাটির গৌরীপুর চৌমাথা থেকে গোরুরফঁড়ি পর্যন্ত প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলে অংশ নেন BJP-র ব্যারাকপুর জেলার সভাপতি সন্দীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং জেলা যুব মোর্চার সভাপতি বিমলেশ তিওয়ারি।
পঞ্চায়েত নির্বাচনে ব্যাপক সন্ত্রাস নিয়ে ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সন্দীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার ও রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে পঞ্চায়েত নির্বাচনে যে ধরনের সন্ত্রাস হয়েছে তার প্রতিবাদ জানাতে BJP কর্মীরা রাস্তায় নেমেছেন।’
এই মিছিল থেকে ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার ব্যারাকপুর জেলার সভাপতি বিমলেশ তিওয়ারি বলেন, ‘এই নির্বাচন কমিশনার মদ্যপ। একদিনে ভোট করাতে গিয়ে এতগুলো মানুষের প্রাণ নিয়ে নিল। অথচ কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করল না।’
এছাড়াও রবিবার রাজ্যে নির্বাচনী সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে পথে নামে বাঁকুড়া জেলা BJP। রবিবার বিকেলে ‘খুনী মমতা’ লেখা পোষ্টার হাতে বাঁকুড়া শহরের মাচানতলায় বিক্ষোভ দেখালেন BJP নেতা কর্মীরা। নেতৃত্বে ছিলেন BJP-র স্থানীয় বিধায়ক নীলাদ্রি শেখর দানা সহ অন্যান্যরা।