মঙ্গলবার পান্ডুয়ার বৈঁচিতে চলছে ভোট গণনা পর্বের শুরুতেই স্পষ্ট হয়ে যায় রেজাল্ট। পান্ডুয়ার ১৬ টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে ১৩ টা পঞ্চায়েত দখল করেছে তৃণমূল। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতায় একটি পঞ্চায়েত দখল করেছে বামেরা। দুটি পঞ্চায়েতে ফলাফল ত্রিশঙ্কু হয়েছে। তার মধ্যে জামনা গ্রাম পঞ্চায়েতের ১১ টি আসনের মধ্যে সিপিআইএম জিতেছে সাতটিতে, বাকি চারটে তৃণমূল। ২০১৮ এর পঞ্চায়েত নির্বাচনে এই পঞ্চায়েতটি তৃণমূলের দখলে ছিল ।কার্যত শাসকদলের কাছ থেকে পঞ্চায়েত ছিনিয়ে নিল সিপিএম ।ইটাচুনা খন্যান গ্রাম পঞ্চায়েতের ২২ টি আসনের মধ্যে ১০ টি আসন দখল করেছে তৃণমূল।
সিপিআইএম আটটি-এর মধ্যে একটি আসনে জয়ী হয়েছে সিপিআইএম সমর্থিত নির্দল। কংগ্রেস পেয়েছে দুটি আসন। একটি আসন পেয়েছে কংগ্রেস সমর্থিত নির্দল। গত পঞ্চায়েত এই আসনটি নিজেদের দখলে রেখেছিল তৃণমূল। জামগ্রাম মন্ডলাই গ্রাম পঞ্চায়েতে ১৪ টি আসনের মধ্যে সিপিআইএম জিতেছে ৭ টি এবং ৬ টি পেয়েছে তৃণমূল, একটি গিয়েছে নির্দলের হাতে। যদিও পান্ডুয়া ব্লকের বাকি ১৩ টি পঞ্চায়েত একক সংখ্যাগরিষ্ঠতায় তৃণমূল জয়লাভ করেছে। পাশে জয়ের আনন্দে আবির খেলায় মাতলেন বাম কর্মী সমর্থকেরা।
পান্ডুয়া সিপিএম এরিয়া কমিটির সম্পাদক বলেন, ‘এই জয় মানুষের জয়। মানুষ বুঝে নিয়েছে তৃণমূল আর BJP যে পলিটিক্স করছিল। ধর্মের নামে মানুষকে বিভাজনের রাজনীতি যে বাংলায় চলে না। সেটা মানুষ অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে বুঝে নিয়েছে। তাই মানুষ জোড়াফুল ও গেরুয়া দুজনকেই প্রত্যাখ্যান করে, আবার লাল ঝান্ডাকে ধরে উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে। মানুষের রুজি রুটি লড়ায় যারা আছে, সেটা একমাত্র লাল ঝান্ডা।’
শুধু হুগলির পাণ্ডুয়া নয়, হাওড়াতেও একাধিক জায়গায় দুরন্ত ফল বামেদের। হাওড়ার গ্রাম পঞ্চায়েতের দুটি খাতা খুলেছে বাম-আইএসএফ জোট। বাগনান ১ নং ব্লকের বাইনান গ্রাম পঞ্চায়েত ও উলুবেড়িয়া ২ নং ব্লকের তেহট্ট কাঁটাবেড়িয়া দু নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত এল বাম-আইএসএফ জোটের হাতে। উল্লেখ্য, ওই দুটি গ্রাম পঞ্চায়েত আগে ছিল BJP-র হাতে।