জানা গিয়েছে, নন্দীগ্রামে তৃণমূল কর্মীদের মারধর ও বাড়ি ভাঙচুরের ঘটনাতেই BJP-র ২ কর্মীকে গ্রেফতার করেছে নন্দীগ্রাম থানার পুলিশ। গতকালই আক্রান্ত তৃণমূল কর্মীদের বাড়িতে যান তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ এবং রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা। কুণাল ঘোষকে কার্যত পুলিশকে হুঁশিয়ারি দিতেও দেখা যায়। কুণাল ঘোষের হুঁশিয়ারির পর ২ জন বিজেপি কর্মী প্রশান্ত আড়ি এবং সঞ্জয় আড়িকে নন্দীগ্রামের রামচক এলাকা থেকে গ্রেফতার করে নন্দীগ্রাম থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতেই ওই ২ জন BJP কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এই বিষয়ে BJP-র তরফ থেকে বলা হয়েছে, এদেরকে রাজনৈতিকভাবে ফাঁসানো হচ্ছে। ধৃত ২ জনের সঙ্গে এইসব ঘটনার কোনও যোগ নেই। নন্দীগ্রামের স্থানীয় এক BJP নেতা বলেছেন, ‘তৃণমূলের চক্রান্তে এসব হচ্ছে। যেসব হামলার ঘটনা ঘটেছে সেগুলির সঙ্গে BJP কর্মীদের দূর দূরান্ত পর্যন্ত সম্পর্ক নেই।
সেগুলি সব তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দলের ফল। আর নিজেদের দলীয় কোন্দল চাপা দেওয়ার জন্যই BJP কর্মীদের বলির পাঁঠা করা হচ্ছে। পুলিশ ও তৃণমূল মিলে এই কাজ করছে। এর বিরুদ্ধে আমরা আদালতের দ্বারস্থ হব’। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, অভিযোগ ওঠে, ভোটের পর নন্দীগ্রামে তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে হামলা চালিয়েছে BJP আশ্রিত দুষ্কৃতীরা।
এমনিতে এবারে নন্দীগ্রামে BJP ভালো ফল করেছে। তবে এরই মাঝে তৃণমূল কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে বিরোধী দলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, নন্দীগ্রামের ভেকুটিয়াতে তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের মারধর করা হয়। ঘটনায় আহতদের প্রাথমিক ভাবে নন্দীগ্রামের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
প্রথম থেকেই BJP অবশ্য এই হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছে। সেই আবহেই আজ ২ জন BJP কর্মীকে গ্রেফতার এবার এই ঘটনাকে কোন দিকে মোড় দেয়, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।
