যদিও শুভেন্দু অধিকারীর এই মন্তব্যকে একেবারেই গুরুত্ব দিতে নারাজ তৃণমূল। পালটা তাঁকে নিশানা করেছে শাসকদল। এই প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যমে তৃণমূল বিধায়ক তাপস রায়ের পালটা প্রশ্ন, ‘ওঁর হাতে যখন প্রমাণ ছিল, তাহলে এত দিন পর কেন বলছে?’ এক্ষেত্রে বিভিন্ন সময় নানা রকমের কথা বলে বিরোধী দলনেতা সংবাদমাধ্যমে ভেসে থাকতে চাইছেন বলেই মনে করেন তাপসবাবু।
৩৫৫ ধারার পক্ষে সওয়াল
অন্যদিকে এদিন ৩৫৫ ধারা নিয়ে ফের একবার সরব হন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, ‘ বাংলায় ৩৫৫ হওয়ার অনুকূল পরিস্থিতি আছে। কী ভাবে হয় ৩৫৫? প্রথমত, যদি মন্ত্রীরা সুপারিশ করেন। দ্বিতীয়ত, যদি রাজ্যপাল সুপারিশ করেন। এবার তাঁকে ঠিক করতে হবে, তিনি চাইবেন কি চাইবেন না। তৃতীয়ত, ৩৫৫ লাগু করার রায় দিতে পারে কলকাতা হাইকোর্ট কিংবা সুপ্রিম কোর্ট। এর বাইরে এই ধারা প্রয়োগ করা যায় না। গত ৩ দিন বেশকিছু জায়গায় ঘুরেছি। বাংলার মানুষকে রক্ষা করতে হলে রাজ্য সরকারকেই উদ্যোগ নিতে হবে, কিন্তু সরকার তেমনটা করছে না।’
নন্দীগ্রামের বিধায়ক আরও বলেন, ‘বিরোধী দলনেতা হিসেবে আমি আগেও বলেছি, আবারও বলছি, ৩৫৫ ধারা প্রয়োগের অনুকূল পরিস্থিতি রয়েছে বাংলায়। আমার মন্তব্যের অপব্যাখ্যা করে কোনও লাভ নেই। আমি বলেছিলাম, ৩৫৫ ধারা প্রয়োগের পরিবেশ তৈরি করতে হবে। আবারও বলছি, সেটা গণ আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে গড়ে তুলতে হবে। সেই পরিবেশ কী ভাবে তৈরি করতে হয় তা আমি জানি। আমি গণ আন্দোলন করে উঠে আসা। ব্যাপকভাবে গণ আন্দোলন করতে হবে।’ প্রসঙ্গত, এর আগে গত শনিবারও তাঁর মুখে এই ধরণের কথা শোনা যায়।