বিষ্ণুপুর BJP প্রার্থী ভোলানাথ মণ্ডলের রহস্য মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ Calcutta High Court। অভিযোগ পেয়েও এফআইআর না করে তদন্ত কেন করা হয়নি, প্রশ্ন তুলল রাজ্যের সর্বোচ্চ আদালত। দ্রুত এই ঘটনার তদন্ত শুরু করার নির্দেশ পুলিশকে। কলকাতা হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, পুলিশের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ করা হয়েছে। যে ভাবে ময়নাতদন্ত ছাড়া দেহ দাহ করা হয়েছে, তা অনুচিৎ বলে মনে করা হচ্ছে। অভিযোগ জানানোর পরেও পুলিশ কেন পদক্ষেপ করেনি তাতে তাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার সুযোগ আছে।

Calcutta High Court : &amp#39;ছেলে খেলা! চোখ বন্ধ রেখেছিলেন নাকি?&amp#39; পঞ্চায়েত মামলায় BDO কে ভর্ৎসনা বিচারপতি সিনহার
আদালতের পর্যবেক্ষণ, অভিযোগ পেয়েও পুলিশ অভিযোগ পেয়ে FIR করেনি? ২১ জুলাইয়ের অভিযোগ এখনই FIR হিসেবে গ্রহণ করে তদন্ত দুটি করতে হবে বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুলিশকে। গণনা কেন্দ্র কেন্দ্র, দুই হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজ এখনই বাজেয়াপ্ত করতে হবে বলেও জানানো হয়।

Calcutta High Court : তৃণমূলের বাড়ি ঘেরাও কর্মসূচির বিরুদ্ধে আদালতে শুভেন্দু, দ্রুত শুনানির আবেদন নামঞ্জুর
এছাড়াও পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ডিএসপি পদমর্যাদার কোনও অফিসারকে তদন্তের দায়িত্ব দিতে হবে। আগামী ১৮ আগস্ট পরবর্তী শুনানিতে কেস ডাইরি সহ রিপোর্ট দিতে হবে। যে ভিডিয়ো ফুটেজ পুলিশ মৃতের বাড়ি গিয়ে তুলেছে, তাই নিয়ে হলফনামা দেওয়ার কথা জানানো হয়।
দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুর থানা এলাকার বিষ্ণুপুর-১ ব্লকের দড়িকাওয়াডাঙা গ্রাম পঞ্চায়েতের ২০৯ নম্বর বুথের বিজেপি প্রার্থী ছিলেন ভোলানাথ মণ্ডলের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাকালীন মৃত্যু হয়। ডায়মন্ড হারবার হাসপাতালে চিকিৎসারত ছিলেন তিনি।

Calcutta High Court : রাজ্যে আরও ১০ দিন বাহিনী রাখার সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের, সম্মতি দিল হাইকোর্ট
বিজেপির অভিযোগ, পঞ্চায়েত নির্বাচনী পর্ব চলাকালীন BJP প্রার্থীর উপর একাধিক বার হামলা চালায় (Bengal Post Poll Violence) তৃণমূল কংগ্রেস আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর পরাজিত হওয়ার পর ভয়ে ঘরে ঢুকতে পারেননি তিনি। হামলা হতে পারে বলে তিনি বাড়ি থেকে দূরে এলাকা ছাড়া ছিলেন। এরপর গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ডায়মন্ড হারবার হাসপাতালে ভর্তি হন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় ভোলানাথের।

WB Panchayat Poll 2023 : হাইকোর্টের ওপর নির্ভর করছে ভবিষ্যৎ! জয় করেও ‘ভয়’!

ঘটনার পরেও প্রতিবাদে মুখর হয় বিজেপি নেতৃত্ব। ঘটনার পিছনের তৃণমূল কংগ্রেস আশ্রিত দুষ্কৃতীদের হাত রয়েছে বলে দাবি করা হয় বিজেপির তরফে। বিজেপির ডায়মন্ড হারবার সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি দীপক হালদার হাসপাতালে দেখা করতে যান। ময়নাতদন্ত ছাড়াই তাঁকে কেন দাহ করা হল এই নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ঘটনায় পুলিশের সঙ্গে তৃণমূল নেতৃত্বের যোগসাজশে এই ঘটনা ঘটেছে বলে বিজেপির তরফে দাবি করা হয়। তবে, আদালতের নির্দেশের পর পুলিশ কী ব্যবস্থা নেয় সেই দিকেই তাকিয়ে আছে বিজেপি নেতৃত্ব।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version