আদালতের পর্যবেক্ষণ, অভিযোগ পেয়েও পুলিশ অভিযোগ পেয়ে FIR করেনি? ২১ জুলাইয়ের অভিযোগ এখনই FIR হিসেবে গ্রহণ করে তদন্ত দুটি করতে হবে বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুলিশকে। গণনা কেন্দ্র কেন্দ্র, দুই হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজ এখনই বাজেয়াপ্ত করতে হবে বলেও জানানো হয়।
এছাড়াও পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ডিএসপি পদমর্যাদার কোনও অফিসারকে তদন্তের দায়িত্ব দিতে হবে। আগামী ১৮ আগস্ট পরবর্তী শুনানিতে কেস ডাইরি সহ রিপোর্ট দিতে হবে। যে ভিডিয়ো ফুটেজ পুলিশ মৃতের বাড়ি গিয়ে তুলেছে, তাই নিয়ে হলফনামা দেওয়ার কথা জানানো হয়।
দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুর থানা এলাকার বিষ্ণুপুর-১ ব্লকের দড়িকাওয়াডাঙা গ্রাম পঞ্চায়েতের ২০৯ নম্বর বুথের বিজেপি প্রার্থী ছিলেন ভোলানাথ মণ্ডলের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাকালীন মৃত্যু হয়। ডায়মন্ড হারবার হাসপাতালে চিকিৎসারত ছিলেন তিনি।
বিজেপির অভিযোগ, পঞ্চায়েত নির্বাচনী পর্ব চলাকালীন BJP প্রার্থীর উপর একাধিক বার হামলা চালায় (Bengal Post Poll Violence) তৃণমূল কংগ্রেস আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর পরাজিত হওয়ার পর ভয়ে ঘরে ঢুকতে পারেননি তিনি। হামলা হতে পারে বলে তিনি বাড়ি থেকে দূরে এলাকা ছাড়া ছিলেন। এরপর গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ডায়মন্ড হারবার হাসপাতালে ভর্তি হন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় ভোলানাথের।
ঘটনার পরেও প্রতিবাদে মুখর হয় বিজেপি নেতৃত্ব। ঘটনার পিছনের তৃণমূল কংগ্রেস আশ্রিত দুষ্কৃতীদের হাত রয়েছে বলে দাবি করা হয় বিজেপির তরফে। বিজেপির ডায়মন্ড হারবার সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি দীপক হালদার হাসপাতালে দেখা করতে যান। ময়নাতদন্ত ছাড়াই তাঁকে কেন দাহ করা হল এই নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ঘটনায় পুলিশের সঙ্গে তৃণমূল নেতৃত্বের যোগসাজশে এই ঘটনা ঘটেছে বলে বিজেপির তরফে দাবি করা হয়। তবে, আদালতের নির্দেশের পর পুলিশ কী ব্যবস্থা নেয় সেই দিকেই তাকিয়ে আছে বিজেপি নেতৃত্ব।
