মহিষাদল ব্লকের ১২০ নম্বর বুথের ব্যালট পেপার ১২১ নম্বর বুথের ব্যালট বক্সের মধ্যে এলো কি করে, এজেন্টদের বসতে না দেওয়া, ছাপ্পা মারা সহ বেশ কয়েকটি অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে অভিযোগ দায়ের করেন BJP প্রার্থীরা৷ যদিও এই অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে জানান মহিষাদলের BDO যোগেশচন্দ্র মণ্ডল।
তিনি বলেন, ‘নিয়ম মেনেই নির্বাচন হয়েছে। যে কোনও রাজনৈতিক দলের অধিকার রয়েছে অভিযোগ করার। আদালত তার বিচার করবে। আমরা আমাদের সমস্ত তথ্য জমা করেছি নিয়ম মেনেই’। যদিও পরাজিত প্রার্থীরা চাইছেন আবার ভোট হোক।
মহিষাদল ব্লকের পরাজিত এক BJP প্রার্থী অভিযোগ করে বলেন, ‘BDO সহ সমস্ত সরকারি আধিকারিককে কাজে লাগিয়ে এবার ভোটের নামে প্রহসন হয়েছে। জোর করে BJP প্রার্থীদের জায়গায় জায়গায় হারিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমাদের এখানেও একই ঘটনা ঘটেছে।
এটা সাদা চোখে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সবাই বুঝেছেন। BDO এখন যতই নাটক করুন না কেন, আদালতে প্রশ্নের মুখোমুখি তাঁকে হতেই হবে’। এই একই অভিযোগ তুলে গত ২১শে জুলাই রাজ্য জুড়ে BDO অফিস অভিযান করা হয় BJP নেতা কর্মীদের তরফ থেকে।
একাধিক ব্লকের BDO অফিস ঘেরাও করে BJP। তাঁদের দাবি ছিল, পঞ্চায়েত ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কাজে না লাগানোর জন্য ভোট লুঠ করা হয়েছে। BJP-র প্রার্থী থেকে শুরু করে একাধিক নেতাকর্মী সমর্থক আক্রান্ত হয়েছেন। এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত ঘটেছে। একধারে যেমন ছাপ্পা ভোট, তেমনি বোমাবাজি, খুন, ব্যাপক মারধরের অভিযোগ ছিল।
অন্যদিকে অভিযোগ ছিল, বিরোধীদের প্রার্থীদের এজেন্টকে বুথের ভেতর বসতে দেওয়া হয়নি। BJP আন্দোলন করবে বলে BDO অফিসে ১৪৪ ধারা জারি করে দেওয়া হয়। তবে পঞ্চায়েত নির্বাচনের ভবিষ্যৎ এখন আদালতে। আদালতের বিচারপতি কি রায় ঘোষণা করেন সেটাই এখন দেখার।
