পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, ভেলোরে তাদের তরফে একটি বড় ঘর ভাড়া নেওয়া হয়েছে। সেই ঘরে চারজন মানুষ বসবাস করতে পারবেন। যেসব রোগী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা চিকিৎসার জন্য ভেলোরে যাবেন, তারা অতি স্বল্প খরচে এই ঘর ভাড়া নিয়ে এখানে থাকতে পারবেন। তবে শুধুমাত্র রাজ্যের বাসিন্দারাই এই সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। এই ঘর পাওয়ার জন্য কোন্নগর পুরসভার সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। বাংলার আরও বেশি মানুষ ভেলোরে চিকিৎসা করাতে গিয়ে নামমাত্র খরচে যাতে থাকার সুবিধা পায়, সেকথা মাথায় রেখে আগামী দিন আরও কিছু ঘর ভাড়া নেওয়ার পরিকল্পনা করছে কোন্নগর পুরসভা।
এই নিয়ে পুরপ্রধান স্বপন দাস এই সময় ডিজিটাল বলেন, ‘ভেলোরে সিএমসি হাসপাতালের উলটো দিকে আমরা দুটো ঘর নিয়েছি। সেখানে রোগী ও তাঁর পরিবার কম খরচে থাকতে পারবে। রান্না করারও ব্যবস্থা রয়েছে। কোন্নগর পুরসভা থেকে ঘর বুক করতে হবে। ৭০০ টাকার বিনিময়ে সেখানে চারজন থাকতে পারবেন। এপ্রিল মাসের প্রথম থেকেই মানুষের কথা মাথায় রেখে এই পরিষেবা শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমাদের অনুপ্রেরণা। ভাষার জন্য প্রচুর মানুষের সমস্যা হয় ভেলোরে গিয়ে। হোটেলের ঘর খুঁজতে সমস্যা হয়। এতে মানুষের সমস্যা কমবে।’
এ প্রসঙ্গে কোন্নগর পুরসভা এলাকার বাসিন্দা সুভাষ ঘোষ বলেন, ‘আমাদের এখানকার পুরসভা মানুষের সুবিধার্থে যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ এবং খুবই ভালো সিদ্ধান্ত। অনেক মানুষকেই চিকিৎসার প্রয়োজনে ভেলোরে গিয়ে সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। থাকা খাওয়ার জন্য অনেক টাকা খরচ হয়ে যায়। পুরসভার তরফে যে ঘরের বন্দোবস্ত করা হয়েছে, তাতে সাধারণ মানুষ অনেক স্বল্প খরচে থাকতে পারবেন এবং তাঁদের চিকিৎসা করাতে সুবিধা হবে। ‘
