এই সময়: টালিনালা লাগোয়া তিনটি ওয়ার্ডের নিকাশির উন্নয়নের জন্য কলকাতা পুরসভাকে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করল রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর। এই উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শেষ হলে টালিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের আওতাভুক্ত ১১১-১১২-১১৩ এই তিনটি ওয়ার্ডের বাসিন্দারা দীর্ঘদিনের জমা জলের সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন বলে পুর আধিকারিকরা মনে করছেন। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, এই তিনটি ওয়ার্ডে কলকাতা এনভায়রনমেন্টাল ইমপ্রুভমেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম বা কেইআইআইপি প্রকল্পের আওতায় নিকাশি সংস্কারের মূল পাইপলাইন বসানোর কাজ হয়েছে। কিন্তু বাকি থেকে গিয়েছে ওই পাইপলাইনের সঙ্গে বিভিন্ন পাড়ার পাইপলাইনের সংযোগের কাজ।

Duare Sarkar : শুরু দুয়ারে সরকার, কোন কোন নয়া প্রকল্পের সুবিধা?
ফলে কেইআইআইপি প্রকল্পের আওতায় এই সব ওয়ার্ডে যতটা কাজ হয়েছে, তার কোনও সুফল পাচ্ছেন না বাসিন্দারা। ব্রহ্মপুর, রেনিয়া, কংগ্রেস নগর, দীনেশ নগর, আনন্দপল্লি লাগোয়া এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, বৃষ্টি হলেই তাঁদের জমা জলের সমস্যায় পড়তে হয়। এই সমস্যা নিয়ে ১১১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার সন্দীপ দাস, ১১২ নম্বর ওয়ার্ডের গোপাল রায় এবং ১১৩ নম্বর ওয়ার্ডের অনিতা কর মজুমদার অনেক বার মেয়র ফিরহাদ হাকিম ও নিকাশি বিভাগের মেয়র পারিষদ তারক সিংয়ের কাছে দরবার করেছেন। পাইপলাইনের সংযোগের কাজের জন্য টাকা বরাদ্দ না হওয়ায় পুরকর্তারাও কোনও পরিকল্পনা করতে পারছিলেন না।

Bidhannagar Municipal Corporation : অপচয় ঠেকাতে বিধাননগরে পানীয় জলে মিটার, নথিভুক্ত হবে খরচের পরিমানও
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, নগরোন্নয়ন দপ্তরের কাছ থেকে পাওয়া নিকাশি উন্নয়নের কাজে এই ১০০ কোটি টাকার মধ্যে ৫২ কোটি টাকা ১১৩ নম্বর ওয়ার্ডের জন্য, ২৩ কোটি ১১২ নম্বর ওয়ার্ডের জন্য এবং ১১১ নম্বর ওয়ার্ডের জন্য ২৫ কোটি টাকা খরচ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ১১ নম্বর বোরোর চেয়ারম্যান তারকেশ্বর চক্রবর্তী বলেন, ‘আমাদের বোরোর তিনটি ওয়ার্ডে নিকাশি সংযোগের কাজের জন্য নগরোন্নয়ন দপ্তরের কাছ থেকে ১০০ কোটি টাকা পাওয়া গিয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী এই টাকা খরচ করা হবে।’ সূত্রের দাবি, ১১৪ নম্বর ওয়ার্ডের নিকাশি কাজের জন্য ৪০ কোটি টাকা ব্যয়ের একটি পরিকল্পনা পাঠানো হয়েছে নগরোন্নয়ন দপ্তরের কাছে। তবে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের এখনও কোনও সবুজ সঙ্কেত মেলেনি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version