প্রসঙ্গত অতীতে বিভিন্ন ইস্যুতে রাজ্যের বিরুদ্ধে উঠেছে আদালতের নির্দেশ অবমাননরা অভিযোগ। এর আগে মহার্ঘভাতা বা ডিএ নিয়ে রাজ্যের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা হয়েছিল হাইকোর্টে। মামলাকারী সসমস্ত কর্মী সংগঠনগুলির আবগুলি একত্রে করে চলে শুনানি। আবার পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময়ও রাজ্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ তুলে প্রধান বিচারপতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেন কংগ্রেস নেতা আবু হাশেম খান চৌধুরীর আইনজীবী। সেক্ষেত্রেও এক্ষেত্রেও মামলা দায়েরের অনুমতি দেয় প্রধান বিচারপতি ডিভিশন বেঞ্চ।
অন্যদিকে রাজ্যের উন্নয়ন ও সুশাসন নিয়েও এদিন কার্যত অসন্তোষ প্রকাশ করেছে আদালত। এক্ষেত্রে উল্লেখ্য রাজ্যর উন্নয়ন ও সুশাসন নিয়ে বারংবার রাজ্যকে নিশানা করতে দেখা গিয়েছে বিরোধীদেরও। কয়েক মাস আগে সমাপ্ত পঞ্চায়েত নির্বাচনে বারেবারেই অশান্ত হয়ে উঠেছে বাংলার বিভিন্ন জায়গা। মৃত্যু হয়েছে অনেকের। এমনকী নির্বাচন মিটে যাওয়ার পরেও অশান্তি জারি থেকেছে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায়।
আবার রাজ্যের সম্প্রতি বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের মতো ঘটনাও ঘটেছে। এগরা খাদিকুল, বা উত্তর২৪ পরগনার দত্তপুকুরে বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণে বেশকয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে। দত্তপুকুরের ঘটনায় তো আবার এলাকার বিধায়কের বিরুদ্ধেই অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। তাঁদের অভিযোগ ছিল, এলাকার বিধায়ক এবং স্থানীয় থানার আইসি সবই জানতেন। এমনকীর তাঁদের পরোক্ষ মদতেই ওইসব বেআইনি বাজি কারখানাগুলি চলত। সেক্ষেত্রে একের পর এক এই ধরণের অভিযোগের মাঝেই বাইকোর্টের এহেন পর্যবেক্ষণ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞমহল।