ফের সেজে উঠতে চলেছে Jalpaiguri জেলার Devi Choudhurani Mandir। ২০১৮ সালে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত গিয়েছিল এই মন্দির। তবে মন্দির সংলগ্ন মন্দিরের সীমানা পাঁচিল, মন্দিরের বাইরের গেট, আলোক সজ্জা ব্যবস্থা, মন্দিরের প্রবেশ দ্বার সহ অন্যান্য অংশের মেরামতি কাজ শুরু করা হচ্ছে।

Dhupguri By Poll : ধূপগুড়িতে BJP-র মাস্টারস্ট্রোক? শহিদ জওয়ানের স্ত্রীকে উপনির্বাচনের প্রার্থী ঘোষণা
কী জানা যাচ্ছে?

গাজলডোবা ডেভেলপমেন্ট অথরিটির উদ্যোগে মন্দির চত্বর সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন কাজের জন্য প্রায় এক কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। রাজগঞ্জের বিধায়ক তথা গাজলডোবা ডেভেলপমেন্ট অথরিটির ভাইস চেয়ারম্যান খগেশ্বর রায় একটি সংবাদ মাধ্যমে জানান, ঐতিহাসিক এই মন্দিরের পরবর্তী পর্যায়ে সংস্কারের কাজ শুরু হবে। ওয়ার্ক অর্ডার ইতিমধ্যে হয়ে গিয়েছে।

WB Police Recruitment : SP-র উদ্যোগে চালু ‘প্রয়াস’! মক ইন্টারভিউয়ের তালিম পেয়ে পুলিশে চাকরি ১১ যুবকের
কী সংস্কার হবে?

জানা গিয়েছে, মন্দিরের প্রবেশ দ্বার নির্মাণ সহ সীমানা পাঁচিল, বাইরের গেট, সৌর লাইট বসানোর কাজ করা হবে দ্বিতীয় পর্যায়ে। এছাড়াও মন্দিরের দেওয়ালে খোদাই করা হবে ভবানী পাঠক, দেবীচৌধুরানির নানান কাহিনী চিত্র। এছড়াও সন্ন্যাসী বিদ্রোহের প্রেক্ষাপট তুলে ধরা হবে মন্দিরের গায়ে। ইতিহাস বলছে, ভবানী পাঠককে ইংরেজ সেনাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সাহায্য করেছিলেন দেবী চৌধুরানি। সেইসব ইতিহাসের খন্ডচিত্র আঁকা হবে দেওয়ালে। মন্দিরের ভেতরে নাট মন্দিরের সংস্কার করা হবে। ইতিহাস বিজড়িত এই মন্দির যাতে পর্যটকদের কাছে আরও আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে তার ব্যবস্থা করা হবে।

Dhupguri Crime : ভাগ্নের ছক, দুষ্কৃতী পাঠিয়ে মামাকে খুন! ধূপগুড়িতে চাঞ্চল্য
ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে মন্দির

ইতিহাস অনুযায়ী, ভবানী পাঠক নিজে ডাকাত সর্দার ছিলেন। ডাকাতি হলেও নিজে সন্ন্যাসীর মতো জীবনযাপন করতেন বলেও জানা যায়। অত্যাচারী ইংরেজ ও দেশীয় জমিদারদের থেকে লুঠ করে বিভিন্ন সামগ্রী দরিদ্রদের মধ্যে বিলিয়ে দিতেন বলেও জানা যায়। ইংরেজদের সঙ্গে লড়াইয়ে তাঁর সহযোগী ও শিষ্যা ছিলেন দেবী চৌধুরানী। সেই দেবী চৌধুরানী মন্দির গড়ে তোলা হয় এখানে।

Bhramri Devi Temple: ভ্রামরীদেবীর মেলায় পুণ্যার্থীদের ঢল

অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত

২০১৮ সালে এই মন্দিরে আগুন লেগে অনেকটাই ক্ষতি হয়ে যায়। উত্তরবঙ্গের এই ঐতিহ্যবাহী মন্দির পুনঃনির্মাণ করা হয়। পর্যটন ও বন দফতর সক্রিয় ভূমিকায় কয়েক বছরের মধ্যেই মন্দিরটি নির্মাণ করে দেওয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রী ভার্চুয়াল মাধ্যমে মন্দিরের উদ্বোধন করেন। তবে এই মন্দির চত্বরের বাইরের অংশের অনেকখানি কাজ বাকি ছিল। পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়াতে এবার সেই উদ্যোগ নেওয়া হল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version