রাতের অন্ধকারে Anganwadi Centre- এর সেন্টারের তালা ভেঙে চুরি গেল শিশুদের খাদ্য সামগ্রী। তুলকালাম কাণ্ড দুর্গাপুরে। অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের ছুটি থাকার সুযোগ নিয়েই চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। তদন্ত শুরু করেছে দুর্গাপুর ফরিদপুর থানার পুলিশ।

Durgapur News : ফুসফুসে আটকে কঞ্চি, অস্ত্রোপচারে সাফল্য
কী ঘটনা ঘটেছে?

জানা গিয়েছে, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের তালা ভেঙে চুরি গিয়েছে ১ কুইন্ট্যাল ৭৫ কেজি চাল ও ২৫ কেজি মুসুর ডাল। ঘটনাটি ঘটেছে দুর্গাপুর ফরিদপুর ব্লকের লাউদোহা গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত তিলাবনি গ্রামের পুরনো মসজিদ পাড়া এলাকায়। এখানে দীর্ঘদিন ধরে রয়েছে একটি অঙ্গনওয়াড়ি শিশু শিক্ষা কেন্দ্র। সেখান থেকেই চাল-ডাল চুরি যাওয়ার ঘটনা ঘটে।

Durgapur Steel Plant : দুর্গাপুরে রাস্তা অবরোধ, উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে উত্তেজনা! CISF-র বিরুদ্ধে লাঠিচার্জের অভিযোগ
শিশু শিক্ষা কেন্দ্রের বক্তব্য

শিশু শিক্ষা কেন্দ্রের শিক্ষিকা শুভ্রা দালাল জানান, প্রত্যেক দিনের মত আজও তিনি স্কুল খুলতে আসেন। এসে দেখেন স্কুলের দরজার তালা ভাঙ্গা। স্কুলের ভেতর থেকে চুরি গিয়েছে ১ কুইন্ট্যাল ৭৫ কেজি চাল ও ২৫ কেজি মুসুর ডাল। তিনি জানান, ঘটনা দেখেই সঙ্গে সঙ্গে তিনি পাড়ার লোকেদের ডাকেন এবং পুলিশে খবর দেন। ঘটনাস্থলে আসে লাউ দোহার দুর্গাপুর ফরিদপুর থানার পুলিশ।

Durgapur News : ভুতুড়ে বাড়িতে পরিণত বাম আমলে তৈরি সরকারি হাসপাতাল! তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা
আর কী জানা যাচ্ছে?

শুভ্রদেবী জানান, তার সেন্টারের ২৫ কেজি মুসুর ডাল চুরি গিয়েছে। বাকি যে চাল চুরি গেছে সেই চালটা ছিল পাশের ৪৬ নম্বর সেন্টারের। সেন্টারের দিদিমণিরা ছুটিতে থাকাই তাদের চাল এই সেন্টারে রাখা ছিল বলে জানান তিনি। রাতের অন্ধকারে দুষ্কৃতীরা স্কুলের তালা ভেঙে চাল ও ডাল নিয়ে চম্পট দেয়। এইভাবে ছোট ছোট শিশুদের খাদ্য সামগ্রী চুরির ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়। কে বা কারা এই ধরনের নিকৃষ্ট কাজ করেছে তার তদন্ত শুরু করেছে লাউদোহার ফরিদপুর থানার পুলিশ।

ঝড়ে উড়েছে ছাদ! দীর্ঘদিন ধরে বেহাল দশা অঙ্গনওয়াড়ির

স্থানীয় প্রশাসনের বক্তব্য

এই ঘটনা প্রসঙ্গে দুর্গাপুর ফরিদপুর ব্লক সভাপতি সুজিত মুখার্জি জানান, বাচ্চা বাচ্চা ছেলে-মেয়েদের খাবার জিনিস চুরি হয়েছে। যাতে করে বাচ্চাদের খাবার অসুবিধা না হয়। তার জন্য তিনি ব্যবস্থা করবেন। পাশাপাশি পুলিশ প্রশাসনকে বলবেন দোষীদের উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করতে। অন্যদিকে, তিলাবনি গ্রামের তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য সৈয়দ আশিক হোসেনও সুজিত বাবুর মত একই দাবি রাখেন। গোটা ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version