অপরাধীদের মুখ লুকনো দায়! Kolkata Police শহরে আনতে অত্যাধুনিক ব্যবস্থা। যাতে দাগী অপরাধীদের ধরতে সহজ হবে বলে দাবি পুলিশের। কলকাতা জুড়ে বসানো হচ্ছে Face Recognition Camera। সিসিটিভির সঙ্গে বাড়তি সংযোজন এই নতুন সিস্টেম।

Kolkata Alipore Zoo : ফটোগ্রাফি-কুইজ, আঁকা প্রতিযোগিতা! বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ নিয়ে জমজমাট অনুষ্ঠান আলিপুর চিড়িয়াখানায়
কী জানা যাচ্ছে?

Artificial Intelligence নির্ভর মুখাবয়ব চিহ্নিতকারী ক্যামেরা সিস্টেম বসাতে চলেছে কলকাতা পুলিশ। আপাতত শহরের পাঁচটি জায়গায় এই ক্যামেরা বসতে চলেছে। কলকাতা পুলিশ আগেই ৭০০টি বডি ক্যামেরা আনার ব্যবস্থা করেছে। এর পাশাপশি এবার ফেস রেকগনেশন ক্যামেরার ব্যবস্থা করতে চলছে শহর কলকাতায়।

Kolkata Municipal Corporation : ডেঙ্গি বড় বালাই! প্যান্ডেলে জল জমা রুখতে পুজো কমিটিগুলোকে বিশেষ দাওয়াই পুরসভার
কী কাজ করবে এই ক্যামেরা

জানা যাচ্ছে, শহরের গুরুত্বপূর্ণ এবং সন্দেহজনক কিছু স্থানে এই ফেস রেকগনেশন ক্যামেরা বসানো হবে। এই ক্যামেরার মাধ্যমে পুলিশের অপরাধের রেকর্ডের নাম ও ছবি থাকা অপরাধীদের চিহ্নিত করা যাবে। মুখমণ্ডল চিহ্নিত হলেই নির্দেশ যাবে পুলিশের কন্ট্রোল রুমে। যার দরুণ অপরাধীকে ধরা অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে। আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সকে কাজে লাগিয়ে এই ক্যামেরা কাজ করবে।

KMC Book Donation Drive : নাগরিকের বইদানের আবেদন! শিশুদের জন্য অভিনব পরিকল্পনা কলকাতা পুরসভার
ক্যামেরার বিশেষত্ব

জানা গিয়েছে, এই ধরনের ক্যামেরা স্টিল থেকে ভিডিয়ো সব ধরনের ছবি তুলতেই সক্ষম। এই ক্যামেরা ১২০ থেকে ১৫০ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে ছবি তুলতে পারবে। ছবি তোলার পরেই সেই বার্তা তৎক্ষণাৎ পাঠিয়ে কন্ট্রোল রুমের নির্দিষ্ট মনিটরে। সেখান থেকে অপরাধীকে ধরার পরবর্তী গতিবিধি ঠিক করবে কর্তব্যরত পুলিশ আধিকারিকরা। এর আগে পুরীর জগন্নাথ দেবের মন্দিরে এবং রথযাত্রার সময় এই ধরনের বহুল ভাবে কাজে লেগেছে।

অপরাধীদের নজরদারি

কলকাতা পুলিশ সূত্রে খবর, অপরাধের রেকর্ডে অনেক দাগী দুষ্কৃতীর ছবি, নাম সহ একাধিক ডিটেলস থাকে। এই ধরনের হ্যাবিচুয়াল অপরাধীদের আগে লোক মারফৎ নজরদারি চালানো হতো। সেটা অনেকটা সময় নির্ভর এবং তাতে সম্পূর্ণ ফল পাওয়া যেত এমনটাও নয়। তবে নতুন এই ক্যামেরা লাগানোর ফলে কাজটা অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে বলেই মনে করছে কলকাতা পুলিশ।

পটলের ভেতর বৈদেশিক মুদ্রা! তল্লাশিতে ধরা পড়ল!

পুলিশের বডি ক্যামেরা

ইতিমধ্যে কলকাতা পুলিশের তরফে বডি ক্যামেরা ব্যবহারের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। বডি ক্যামেরা যদিও আগেই ব্যবহার করতেন পুলিশ ও ট্রাফিক বিভাগের কর্মীরা। তবে এবার আরও আধুনিক এবং সংখ্যায় বেশি বডি ক্যামেরা ব্যবহারের টার্গেট নেওয়া হয়েছে। নাকা চেকিং, ট্রাফিক পুলিশের কাজে এই বডি ক্যামেরা অনেকটাই কার্যকরী বলে এর সংখ্যা আগের তুলনায় বাড়ানো হচ্ছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version