এক বৃদ্ধকে মিথ্যে মামলায় জড়িয়ে হেনস্থার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে। শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টে সেই মামলার শুনানি ছিল। সেই মামলায় পুলিশের ভূমিকায় চরম বিরক্তি প্রকাশ করে কলকাতা হাইকোর্ট। একই সঙ্গে পুলিশে তীব্র ভর্ৎসনা করা হয়। সম্প্রতি নিয়োগ দুর্নীতির একাধিক মামলায় আদালতের ভর্ৎসনার মুখে পড়েছিল ইডি-সিবিআই। এদিন এক বৃদ্ধকে মিথ্যে মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে আদালতের প্রশ্নের মুখে পড়তে হল কলকাতা পুলিশকে।

ED Recruitment Scam : ‘তদন্ত করার যোগ্যতা নেই’, ED আধিকারিককে অপসারণের নির্দেশ বিচারপতি সিনহার
কলকাতা পুলিশের সার্ভে পার্ক থানার বিরুদ্ধে মিথ্যে মামলায় বৃদ্ধকে জড়িয়ে হেনস্থার অভিযোগ। শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর এজলাসে এই মামলার শুনানি ছিল। কেস ডায়েরি দেখে চরম বিরক্তি প্রকাশ করেন বিচারপতি সেনগুপ্ত। শুনানি চলাকালীন পুলিশকে তীব্র ভর্ৎসনা করে বিচারপতি সেনগুপ্ত বলেন, ‘এইভাবে পাবলিক মানি নষ্ট হচ্ছে। এটার নাম তদন্ত! What Nonsense!’

সার্ভে পার্ক থানার তদন্তকারী অফিসারকে নিয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিচারপতি। ভরা এজলাসে তদন্তকারী অফিসারের উদ্দেশে বিচারপতি সেনগুপ্ত বলেন, ‘৫০৯ ধারায় কী আছে পড়ুন! জোরে জোরে পড়ুন! আপনি তদন্তের IO। এবার আপনি একজনের দেওয়া গোপন জবানবন্দি পড়ুন। এবার অভিযোগপত্র পড়ুন।’ বিচারপতির নির্দেশ অনুযায়ী এজলাসে তা পড়েন তদন্তকারী অফিসার।

Rujira Banerjee ED Summon : নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রুজিরাকে তলব, অভিষেক পত্নীর বয়ান রেকর্ড করতে চায় ED
পড়ার পর বিচারপতি সেনগুপ্ত বলেন, ‘গোপন জবানবন্দি বা অভিযোগপত্র এমন কিছু কি লেখা রয়েছে! অভিযোগ একটা ফ্ল্যাট কেনা নিয়ে। সেই অভিযোগে এমন কিছু একটা আছে যাতে নারীর সম্ভ্রম নষ্ট করার মতো ইঙ্গিত রয়েছে? ৫০৯ ধারা যুক্ত হতে পারে এমন কিছু কী রয়েছে? যেমন খুশি ধারা দিয়ে তদন্ত হচ্ছে!’

Abhishek Banerjee News : বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ, ডিভিশন বেঞ্চে অভিষেক
তদন্তকারী অফিসারের উদ্দেশে বিচারপতি সেনগুপ্ত আরও বলেন, ‘আপনার মাথায় কী আছে? কী কারণে এই ধারা দিয়েছেন? কার বুদ্ধিতে এই কাজ করেছেন? কে বলেছে এই ধারা দিতে? আপনি তো বুঝতে পারছেন যে অভিযোগ রয়েছে তাতে এই ধারা দেওয়া যায় না। এমন বেশ কিছু ঘটনার অভিযোগ আসছে বিভিন্ন মামলায়। তাই এই নিয়ে বিস্তারিত নির্দেশ দিতে চায় হাইকোর্ট। তদন্তকারী অফিসারের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেওয়া যায়, সেটা আগামী শুনানিতে ভাববে আদালত।’ আগামী ২৩ অক্টোবর পরবর্তী শুনানি।

সম্প্রতি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আদালতের ভর্ৎসনার মুখে পড়েছিলেন ইডির অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর মিথিলেশ মিশ্র। তাঁকে নিয়োগ দুর্নীতির সব মামলা থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য ED-র ডিরেক্টরকে নির্দেশ দেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। এমনকী তদন্ত নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি।

https://whatsapp.com/channel/0029Va9zh58Gk1Fko2WtDl1A



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version