Teacher Recruitment : পুজোর আগেই নিয়োগ, ১৯১২ জনকে দেওয়া হল প্রধান শিক্ষকের নিয়োগপত্র – purba medinipur 1912 teacher receive appointment letter as head teacher


রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে জলঘোলার মাঝেই এবার খুশির খবর, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ১৯১২ জনকে প্রধান শিক্ষকের নিয়োগপত্র প্রদান করা হল। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশে রাজ্য স্কুল শিক্ষা দফতরের অর্ডার অনুযায়ী, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার চারটি মহকুমা কাঁথি, এগরা, তমলুক ও হলদিয়ার ১৯১৪ জনের মধ্যে ১৯১২ জনের হাতে প্রধান শিক্ষকের নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হয় তমলুকের নিমতৌড়ির শিক্ষক ভবন থেকে।

পূর্ব মেদিনীপুর জেলা শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান জানান, বেশ কিছু জটিলতা ও নির্বাচণের কারণে জেলায় প্রধান শিক্ষক নিয়োগ করা সম্ভব হয়নি। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশে এবং রাজ্য স্কুল শিক্ষা দফতরের অর্ডারে আমরা জেলায় ১৯১২ জনের হাতে প্রধান শিক্ষকের নিয়োগপত্র তুলে দিতে পেরেছি। ২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। তাই তাঁদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া সম্ভব হয়নি।

Recruitment Scam In West Bengal:’১৫ দিনের মধ্যে নিয়োগ করতেই হবে…’, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল চিঠি নিয়ে জবাব রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার
ওই দুই জনকে তলব করা হয়েছে। তাঁদের কথা শোনার পরেই কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পুজোর আগে এই নিয়োগপত্র তুলে দিতে পেরে তাঁরাও অত্যন্ত সন্তুষ্ট বলে জানান তিনি।

নিজ নিজ সার্কেলের মধ্যে তাঁদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। আগামীদিনে জেলা অন্যান্য শিক্ষক সংগঠন ও কমিটির সদস্যদের নিয়ে একটি বৈঠক করা হবে বলেও জানান হাবিবুর রহমান। এদিকে পুজোর আগে নিয়োগ পেয়ে খুশি শিক্ষকমহল।

WB Teacher Transfer Case : কেন ২০০ কিমি দূরের স্কুলে ট্রান্সফার, প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের
হাবিবুর রহমান বলেন, “নোটিশের উপর ভিত্তি করে যাঁরা প্রোমোশন চান তাঁদের আবেদন করতে বলা হয়েছিল। আমরা চেয়েছিলাম যাতে পুজোর আগে এই নিয়োগপত্র তুলে দিতে পারি ওই শিক্ষকদের হাতে। অবশেষে সকলের সহযোগিতায় আমরা সার্কেল মোতাবেক প্যানেল তৈরি করতে পেরেছি। আমরা একটা ছয় জনের কমিটি তৈরি করেছিলাম। সেই কমিটি চুলচেরা বিশ্লেষণ করে যে যেখানে পোস্টিং পাওয়ায় যোগ্য তাকে সেখানে দেওয়া হয়েছে।”

Health Recruitment : সরকারি চাকারির নাম প্রতারণা! ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’-তে ফোন করতেই ‘খেল খতম’
তাঁর কথায়, “পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় আবেদন পড়েছিল ২৪২১। বিভিন্ন কারণে কিছু আবেদন বাতিল হয়েছে। ২৩৭২ যথাযত আবেদন ছিল। ১৯৪১ টি শূন্যপদ ছিল। যাঁদের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ নেই তাদেরই নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। পুজোর আগে এই বৃহৎ কর্মকাণ্ড করতে পেরে খুশি। আগামী ১৬ এবং ১৭ তারিখ কারও কোনও অভিযোগ থাকলে জানাতে পারবেন। প্রায় নয়, দশ বছর পর জেলায় এই প্রধান শিক্ষক নিয়োগ করা হল।”

রাজ্যের আরও খবরের জন্য ফলো করুন এই সময় ডিজিটাল চ্যানেল। ক্লিক: https://whatsapp.com/channel/0029Va9zh58Gk1Fko2WtDl1A



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *